পদ্মা নদীর তীব্র স্রোতের কারণে ১৫ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে রাজবাড়ীর ধাওয়াপাড়ার জৌকুড়া ও পাবনার নাজিরগঞ্জ নৌরুটে ফেরি চালাচল। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে এ রুট দিয়ে পারাপার হওয়া যানবাহন ও যাত্রীরা।
তবে ঝুঁকি নিয়ে ছোট দুটি ভাঙাচোরা লঞ্চ ও কয়েকটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার দিয়ে যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। এছাড়া পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে পন্টুনের সামনের অংশে পানি ওঠায় বাঁশের মাচালী ও বস্তার ওপর দিয়ে যাত্রীরা পন্টুনে ওঠা-নামা করছে।
তবে লঞ্চঘাট ম্যানেজারের দাবি, লঞ্চ মেরামত করা হয়েছে এবং ধারণ ক্ষমতার কম যাত্রী নিয়ে নদী পারাপার করা হচ্ছে। ফেরি বন্ধ থাকায় যাত্রীদের কথা ভেবে লঞ্চ ও ইঞ্জিনচালিত নৌকা দিয়ে যাত্রী পারাপার করছেন তারা।
এ রুটে পারাপার হওয়া যাত্রী ও যানবাহন চালকদের অভিযোগ, এ রুটে দুটি ছোট ইউটিলিটি ফেরি চলাচল করে। যা অনেক পুরাতন। একটু স্রোত হলে আর চলতে পারে না। তাই এ রুটে নতুন ফেরি যুক্ত করার দাবি জানান তারা।
জানা গেছে, হঠাৎ পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধির সঙ্গে তীব্র স্রোত দেখা দিয়েছে। এ কারণে গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে জৌকুড়া-নাজিরগঞ্জ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। ফেরি দুটি অনেক পুরাতন হওয়ায় স্রোতের বিপরীতে চলতে পরেছে না। সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে এ রুটে ফেরি চলাচল পরিচালিত হয়।
এ বিষয়ে রাজবাড়ী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কে বি এম সাদ্দাম হোসেন জানান, পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির পাশাপাশি স্রোতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় জৌকুড়া-নাজিরগঞ্জ রুটে ফেরি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এ রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া পন্টুনের সামনেও পানি উঠেছে। যে কারণে যানবাহন ফেরিতে ওঠা-নামায় সমস্যা হচ্ছে। তাই যাত্রী ও যানবাহনগুলোকে বিকল্প রুট ব্যবহার করার জন্য গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। স্রোতের তীব্রতা ও পানি কমে আসলে পুনরায় ফেরি চলাচল শুরু হবে বলেও জানান তিনি।
রুবেলুর রহমান/এমবিআর/এমকেএইচ