গত ২৪ ঘণ্টায় গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া গেজ স্টেশন পয়েন্টে পদ্মার পানি ৩ সেন্টিমিটার কমে বর্তমানে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
গত কয়েকদিন ধরে পদ্মায় পানি কমলেও কমছে না স্রোতের তীব্রতা। ফলে ব্যাহত হচ্ছে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল। স্রোতের কারণে ফেরিও চলছে কম। এছাড়া গত ৪ অক্টোবর থেকে বন্ধ রয়েছে এ রুটে লঞ্চ চলাচল। যে কারণে দৌলতদিয়া প্রান্তের সড়কে শতাধিক যাত্রীবাহী বাসসহ কয়েকশ পণ্যবাহী ট্রাক নদী পারের অপেক্ষায় সিরিয়ালে আটকা পড়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়ছেন এ রুটে চলাচলকারী যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা।
মঙ্গলবার (অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ সুত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
এদিকে পদ্মায় তীব্র স্রোতের পাশপাশি ঘূর্ণনের কারণে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট এলাকায়। এতে দৌলতদিয়া দুটি ঘাটসহ প্রায় ৬ শতাধিক বাড়ী নদীতে বিলীন হয়েছে। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কাজ করলেও তা কাজে আসছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
এছাড়া জেলা সদরের মিজানপুরের মহাদেবপুর, গোদার বাজার, গোয়ালন্দের দেবগ্রাম ইউনিয়নের হাজারের অধিক বসতবাড়ী, ব্যবসা প্রতিষ্ঠা, স্থাপনা ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া সহকারী ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মাহবুব হোসেন জানান, বর্তমানে ৭টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে এবং ৪টি ঘাট সচল রয়েছে। নদী পারের জন্য দৌলতদিয়া প্রান্তে শতাধিক বাস ও কয়েকশ ট্রাক সিরিয়ালে রয়েছে।
রুবেলুর রহমান/এমএমজেড/এমকেএইচ