২০১৯ সালের শেষ দিনে কক্সবাজারের টেকনাফে তিন লাখ ৭৮ হাজার ৯১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ইয়াবার বিশাল চালান জব্দ হলেও এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে টেকনাফের ২ বিজিবির সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান লে. কর্নেল ফয়সল হাসান খান।
লে. কর্নেল ফয়সল হাসান খান বলেন, মঙ্গলবার সকালে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের জাদিমোড়া এলাকা দিয়ে মিয়ানমার থেকে ইয়াবার একটি বড় চালান সীমান্ত দিয়ে প্রবেশের খবর পেয়ে বিজিবির একটি বিশেষ দল ওই এলাকায় অবস্থান নেয়। কিছুক্ষণ পর মিয়ানমার জলসীমানায় লালদ্বীপ থেকে বের হয়ে কয়েকজন পাচারকারী নাফ নদীর কিনারে পৌঁছে। এ সময় বিজিবির সদস্যরা তাদের থামানোর সংকেত দিলে চারটি বস্তা ফেলে বাগানের ভেতর ঢুকে যায়।
তিনি আরও বলেন, ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার বস্তা থেকে তিন লাখ ৭৮ হাজার ৯১৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার ইয়াবা বিজিবির সদর দফতরে জমা রাখা হয়েছে। পরে সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে সেগুলো ধ্বংস করা হবে।
লে. কর্নেল ফয়সল হাসান খান বলেন, বিজিবি সীমান্তে গত এক বছরে ৭০ লাখ পিস ইয়াবাসহ তিন শতাধিক মাদক কারবারিকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এ ঘটনায় বিভিন্ন সময় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ৩৬ মাদক পাচারকারী নিহত হয়। এর মধ্যে নারীসহ ১৭ জন রোহিঙ্গা ছিল।
সীমান্তে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে উল্লেখ করে বিজিবির এই কর্মকর্তা বলেন, সীমান্তে কঠোর নজরদারি রাখায় ইয়াবা পাচারকারীরা ধরা পড়ছে। কোনো মাদক ব্যবসায়ী ও পাচারকারী ছাড়া পাবে না।
সায়ীদ আলমগীর/এএম/এমএস