দেশজুড়ে

ঘন কুয়াশার কারণেই হয়েছে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষ

ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুর সদর উপজেলার মল্লিকপুর এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজনসহ ছয়জন নিহত হওয়ার ঘটনায় পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (০৬ জানুয়ারি) দুপুরে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দীপক কুমার রায়কে প্রধান করে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার, হাইওয়ে পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার, সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তা এবং ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা।

এদিকে দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) অতুল সরকারসহ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সিলেটের সুনামগঞ্জ থেকে বেনাপোলের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসা মামুন পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মল্লিকপুর এলাকায় পৌঁছালে বোয়ালমারী থেকে ঢাকাগামী একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই একই পরিবারের চারজনসহ ছয়জন নিহত হন।

ফরিদপুরে বাস-মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে একই পরিবারের চারজনসহ ছয়জন নিহত

নিহতরা হলেন ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলা ওলামাদলের সভাপতি ডা. শরীফুল ইসলাম (৪০), তার মেয়ে তাবাচ্ছুম (৮), ভাগনি তানজিলা (১৮), শ্যালিকা তাকিয়া আক্তার (১৩), ডা. শরিফুলের বন্ধু ঢাকা হেডকোয়ার্টার্সে কর্মরত পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর মো. ফারুক (৩৫) ও মাইক্রোবাসের চালক নাহিদ (২৬)। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ডা. শরীফুল ইসলামের স্ত্রী রিমি আক্তার। গুরুতর আহত রিমি আক্তারকে চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

কানাইপুর হাইওয়ে পুলিশের এসআই সাফুর আহমেদ দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অতিরিক্ত কুয়াশার কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। মরদেহগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে। বাসের চালক পলাতক রয়েছেন। এ বিষয়ে মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার বাদ মাগরিব জেলার বোয়ালমারী পৌর সদরের ছোলনা মাদরাসা মাঠে ডা. শরীফুল ইসলামসহ নিহতদের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে ছোলনা কবরস্থানে তাদের দাফন করা হবে।

বি কে সিকদার সজল/এএম/এমএস