দেশজুড়ে

ট্রাকের ভেতর চালক ও সহকারীর লাশ

সিলেটে চাকা খোলা অবস্থায় থাকা একটি ট্রাকের ভেতর থেকে ওই ট্রাকের চালক ও তার সহকারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাদের মরদেহে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

নিহতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের বাগদী গ্রামের কাদের মিয়ার ছেলে জাহাঙ্গীর (২৫) ও একই গ্রামের মৃত দীন মোহাম্মদের ছেলে রাজু (২৫)। কেউ তাদের হত্যা করে ট্রাকের ভেতর মরদেহ ফেলে গেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

শুক্রবার দুপুরে দক্ষিণ সুরমার লালমাটিয়া এলাকায় সিলেট-ফেঞ্চগঞ্জ সড়ক থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে মোগলাবাজার থানা পুলিশ। রাত ৯টায় সিলেট মহানগর পুলিশের মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জেদান আল মুসা মুঠোফোনে ক্ষুদে বার্তা দিয়ে এ তথ্য জানান।

জেদান আল মুসা জানান, শুক্রবার দুপুর পৌনে ১২টা দিকে কবর পেয়ে লালমাটিয়া এলাকায় ট্রাকের ভেতর থেকে দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করে মোগলাবাজার থানা পুলিশ। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- এরা দুজনই ট্রাক শ্রমিক। পরে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে পুলিশ মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। পরে অনুসন্ধানে জানা গেছে মরদেহ দুটি ওই ট্রাকের চালক ও তার সহকারীর।

তিনি বলেন, মরদেহ উদ্ধারের সময় ট্রাকটির সবগুলো চাকা খোলা ছিল। এছাড়া মরদেহ দুটির শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তাদেরকে হত্যা করে ট্রাকের ভেতরে ফেলে রাখা হয়েছে এবং ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নিতে নাটক সাজানো হয়েছে।

পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জেদান আল মুসা বলেন, ট্রাকটির (ঢাকা মেট্রো ট ১৮-৪০৩০) মালিক চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা থানার আইলদীপ গ্রামের মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেনের ছেলে আতাউর রহমান। নিহত চালক ও তার সহকারী বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) গাজীপুরের জয়দেবপুর ধান গবেষণা কেন্দ্র থেকে সিলেট নগরীর লামাবাজারের উদ্দেশে রওয়ানা হন।

তিনি বলেন, এ ঘটনার বেশ কিছু ক্লু আমাদের হাতে এসেছে। সেই আলোকে তদন্ত চলছে। শিগগিরই ঘটনার রহস্য উদঘাটন করা হবে।

ছামির মাহমুদ/আরএআর/জেআইএম