খেলাধুলা

নীরবে রেকর্ড গড়েছেন জিম্বাবুয়ের উইকেটরক্ষকও

মিরপুর টেস্টের তৃতীয় দিনটা যতসম্ভব ভুলেই থাকতে চাইবে জিম্বাবুয়ে। সারাদিনে ৮৩ ওভার ফিল্ডিং করে মাত্র ৩ উইকেট নিতে পারা, পরে ব্যাট করতে নেমে ৫ ওভারের মধ্যেই ২ উইকেট হারিয়ে ফেলা- সবমিলিয়ে ম্যাচ হারের সব বন্দোবস্তই আজ (সোমবার) করে ফেলেছে সফরকারীরা।

তবে এরই মাঝে অন্যরকম এক রেকর্ডও গড়েছেন জিম্বাবুয়ের উইকেট রেগিস চাকাভা। দিনের খেলা শেষে সকল আলোচনা মূলত মুশফিকুর রহীমের ব্যাটিংকে ঘিরেই। তৃতীয় ডাবল সেঞ্চুরিতে স্বাভাবিকভাবেই সকল আলো কেড়ে নিয়েছেন মুশফিক।

এরই মাঝে উইকেটের পেছনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের পাঁচ ব্যাটসম্যানের ক্যাচ লুফেছেন চাকাভা। জিম্বাবুয়ের ২৬৫ রানের জবাবে বাংলাদেশ করেছে ৬ উইকেটে ৫৬০ রান। আউট হওয়া ছয় ব্যাটসম্যানের মধ্যে শুধুমাত্র মুমিনুল হক ফিরেছেন বোলারকে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে।

এছাড়া সাইফ হাসান, তামিম ইকবাল, নাজমুল হোসেন শান্ত, মোহাম্মদ মিঠুন এবং লিটন দাস- পাঁচজনই আউট হয়েছেন চাকাভার হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে। এক ইনিংসে ৫ ক্যাচ নিয়ে মিরপুরের শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সর্বোচ্চ ক্যাচের রেকর্ড গড়েছেন জিম্বাবুয়ের উইকেটরক্ষক।

শেরে বাংলায় উইকেটরক্ষক কিংবা সাধারণ ফিল্ডার- দুই হিসেবেই ইনিংসে ৫ ক্যাচ নেয়ার রেকর্ড নেই কোনো খেলোয়াড়ের। সর্বোচ্চ ৪ ক্যাচ ধরার রেকর্ড ছিলো ড্যারেন স্যামির। এছাড়া উইকেটরক্ষক হিসেবে ৫ ডিসমিসাল (৩ ক্যাচ ও ২ স্টাম্পিং) করেছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি।

এ দুজনকেই ছাড়িয়ে গেছেন চাকাভা। ধোনির মতো তিনিও পেয়েছেন পাঁচটি ডিসমিসাল। তবে তার পাঁচটিই ক্যাচ হওয়ায় উঠে গেছেন ধোনি-স্যামির ওপরে।

এদিকে বিশ্বরেকর্ড থেকেও খুব বেশি দূরে ছিলেন না চাকাভা। বাংলাদেশ আরও ব্যাটিং করলে হয়তো দুইটি ক্যাচ বেশি ধরতেও পারতেন তিনি। টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৭টি করে ক্যাচ ধরার বিশ্বরেকর্ড রয়েছে ওয়াসিম বারি (পাকিস্তান), বব টেলর (ইংল্যান্ড), ইয়ান স্মিথ (নিউজিল্যান্ড) এবং রিডলি জ্যাকবসের (ওয়েস্ট ইন্ডিজ) দখলে।

এসএএস/এমএস