প্রবাস

যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়ায় ‘অডিটর জেনারেল’ নির্বাচনে বাংলাদেশি

প্রার্থী হওয়ার জন্য নীনার দরকার ছিল মাত্র এক হাজার ভোটারের স্বাক্ষর। কিন্তু তিনি পেয়েছেন ১০ হাজারের বেশি। ফলে ২৮ এপ্রিল ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়ন পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশি আমেরিকান নীনার।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা জানান, ফিলাডেলফিয়া অঞ্চলে ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে সংগঠক হিসেবে কাজ করছেন নীনা। এর আগে তিনি তিনি বারাক ওবামা প্রশাসনের এশিয়ান আমেরিকান বিষয়ক উপদেষ্টা। এছাড়া ফিলাডেলফিয়া সিটির ডেপুটি মেয়রের দায়িত্বও পালন করেছেন প্রশংসার সঙ্গে।

নীনার পক্ষে মাঠে কাজ করছেন জিয়াউদ্দিন আহমেদ ও ইবরুল চৌধুরী। তারা জানান, নীনা জয়ী হতে পারলে এ রাজ্যে তিনি হবেন প্রথম নারী ও প্রথম অশ্বেতাঙ্গ অডিটর জেনারেল।

১৮ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষর সংবলিত দরখাস্ত পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্য নির্বাচন কমিশনে জমা দেন তিনি। দেশটির পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যের অডিটর জেনারেল নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশি নীনা আহমেদ।

এ বিষয়ে জানাতে চাইলে নীনা বলেন, ‘এখন সময় হচ্ছে বিজয় ছিনিয়ে আনার। এজন্য সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। এ বিজয় হবে প্রতিটি বাংলাদেশির ও প্রতিটি বঞ্চিত-অবহেলিত মানুষের। কারণ, আমি সবসময় অভিবাসী সমাজের অধিকার আদায়ে কাজ করতে আগ্রহী’।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেওয়ার দিনই পদত্যাগ করেন নীনা। তখনো তার মেয়াদ শেষ হতে বাকি ছিল বেশ কয় মাস। ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে নীতিগত ব্যাপারে দ্বন্দ্ব থাকায় পদত্যাগ করেন বলে তখন বেশ আলোড়ন তৈরি হয়েছিল।

নীনা আহমেদ মূলত ‘পাবলিক এনগেজমেন্ট’ বিষয়ক ডেপুটি মেয়র। ব্যক্তিগতভাবে চিকিৎসা-বিজ্ঞানী হলেও সমাজকর্মকেই প্রাধান্য দিয়েছেন সব সময়। ফিলাডেলফিয়া এবং আশপাশের সিটির অভিবাসীদের স্বার্থে নিজেকে নিবেদনের পাশাপাশি নারীদের অধিকার ও মর্যাদার প্রশ্নেও রয়েছেন সোচ্চার।

এমআরএম/এমএস