খেলাধুলা

করোনার সময়টাকে ভিন্নভাবে কাজে লাগাতে চান অস্ট্রেলিয়ার কোচ

করোনাভাইরাসের কারণে খেলাধুলা বন্ধ। এমনকি গৃহবন্দী থাকার কারণে অনুশীলনেরও সুযোগ নেই ক্রীড়াবিদদের। ফলে ঘরের মধ্যে পরিবারের সঙ্গেই এ অনাকাঙ্ক্ষিত ছুটির সময়টা কাটছে খেলোয়াড়দের। তবে এটিকেও ভিন্নভাবে কাজে লাগানোর উপায় বের করে ফেলেছেন অস্ট্রেলিয়ার কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার।

ইংল্যান্ড-অস্ট্রেলিয়ার মতো দেশগুলোতে খেলোয়াড়দের মানসিক অবসাদের খবর পাওয়া যায় নিয়মিতই। এ কারণে ক্রিকেটকে অনেক আগেই বিদায় জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যান জনাথন ট্রট, গতবছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে বিরতি নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার মারকুটে অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল।

টানা খেলার মধ্যে থাকায় নিজেদের মানসিক দিক নিয়ে কাজ করার সুযোগ খুব একটা পান না ক্রিকেটাররা। তাই এখন করোনার সময়টাকে এ কাজেই ব্যয় করার পরামর্শ দিচ্ছেন অস্ট্রেলিয়ার কোচ ল্যাঙ্গার। এজন্য বাসায় থাকা সময়টা খুব গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন তিনি।

আর এ পুরো সময়টায় খেলোয়াড়দের মানসিক অবস্থার পর্যবেক্ষণ করবে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। এ বিষয়ে ল্যাঙ্গার বলেন, ‘আমরা কনফারেন্স হলে খেলোয়াড়দের মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারে আলোচনা করেছি। বিশেষ করে যেসব খেলোয়াড় বা স্টাফ- বাসায় একা একা থাকছে এখন। আমাদের এখন তাদের ওপর নজর রাখতে হবে, যেন তারা স্বাভাবিক থাকে।’

তবে পরিবারের সঙ্গে থাকায় মানসিক অবস্থার উন্নতি ঘটবে বলেই আশাবাদী অস্ট্রেলিয়ার কোচ। যা পরবর্তীতে তাদের দলকেও সাহায্য করবে বলেন করেন ল্যাঙ্গার।

তার ভাষ্যে, ‘আশা করছি, পরিবারের আশেপাশে থাকা এবং খেলার চাপ থেকে বিশ্রাম পাওয়াটা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যেও একটা ছাপ রাখবে। তবে আমরাও এ ব্যাপারে ভীষণ সচেতন এবং খেলোয়াড়-স্টাফদের জন্য ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ায় অনেক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। নেতৃত্বদানের ক্ষেত্রে আমরা সবসময় বলে থাকি মানুষের যত্ন নেয়ার ব্যাপারে- এটা সত্যিই যেকোনো নেতার গুণের মধ্যে অন্যতম।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘কেভিন রবার্টসের নেতৃত্বে আমরা সকল খেলোয়াড়-স্টাফদের যত্ন নিচ্ছি এবং তাদের সমর্থন দিয়ে যাচ্ছি। একইসঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারেও আমাদের চিন্তা রয়েছে। কারা এই ইস্যুতে জটিল পরিস্থিতিতে পড়তে পারে, তাদের ব্যাপারে সচেতন আছি। তাই আমরা তাদের যত্ন নেবো এবং নিশ্চিত করবো যেন সব ঠিক থাকে। এটা সত্যিই খুব গুরুত্বপূর্ণ।’

এসএএস/পিআর