৫ম দিনের মতো আজও মুন্সিগঞ্জের লৌহজংয়ের শিমুলিয়া ঘাটে ঢাকামুখী গার্মেন্টস শ্রমিকদের চাপ অব্যাহত ছিল। শ্রমিকরা শিমুলিয়া ঘাট হয়ে কর্মস্থলে ফিরছেন।
রোববার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত টানা ৫ দিন দক্ষিণবঙ্গের কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে ফেরি ও ট্রলারে শত শত শ্রমিক পদ্মা পাড়ি দিয়ে আসছে শিমুলিয়া ঘাটে।
করোনা ঝুঁকির মধ্যে ফেরি ও ট্রলারে গাদাগাদি করে পদ্মা নদী পার হচ্ছেন এসব শ্রমিক। শিমুলিয়া ঘাটে গণপরিবহন বাস না পেয়ে পোহাতে হচ্ছে আরেক ঝামেলা। তার ওপর আবার বৃষ্টি যেন আরও বিপাকে ফেলছে যাত্রীদের।
মাওয়া নৌ-ফাঁড়ির ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম জানান, দক্ষিণবঙ্গের কাঁঠালবাড়ি ঘাট থেকে ফেরি ও ট্রলারে করে সকাল থেকেই শিমুলিয়া ঘাটে আসতে শুরু করে শত শত শ্রমিক। ফেরিগুলোতে গাদাগাদি করে যাত্রীদের আসার চিত্র দেখা গেছে। এদের বেশির ভাগই ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন গার্মেন্টসের কর্মী।
তিনি আরও জানান, ফেরি ও ট্রলারে গাদাগাদি করে শ্রমিকরা ছুটে আসার কারণে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে। তবু তাদের ঢাকায় ছুটে চলায় থামানো যাচ্ছে না। সামাজিক দূরত্ব না মেনেই ফেরি ও ট্রলারে ছুটে আসছেন গার্মেন্টস কর্মীরা।
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের উপ-মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সীমিত আকারে এ নৌরুটে ফেরি চলছে। জরুরি সেবার যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে যাত্রী সাধারণ ফেরিতে পারাপার হচ্ছে। এদের বেশির ভাগই গার্মেন্টস কর্মী। তবে গত কয়েক দিনের তুলনায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কম সংখ্যক যাত্রী পারাপার হতে দেখা গেছে।
এদিকে, শিমুলিয়াঘাটে আসার পর শ্রমিকরা বাস না পেয়ে অটোরিকশা, রিকশা কিংবা সিএনজিতে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিচ্ছে। শ্রমিকদের কথা হচ্ছে, কষ্ট যতই হোক, আগে চাকরি বাঁচাতে হবে। তাই ছোট ছোট যানবাহনে চড়ে সড়কে ভেঙে ভেঙে ঢাকায় ছুটছেন তারা। আবার যানবাহনের অভাবে কেউ কেউ হেঁটেই ছুটে যাচ্ছেন ঢাকায়। এতে অবর্ণনীয় দুর্ভোগের কবলে পড়েছেন গার্মেন্টসকর্মীরা।
এমএএস/জেআইএম