দেশজুড়ে

১২ ঘণ্টায় পেকে যাওয়া ৫ হাজার পিস কলা নষ্ট করে দেয়া হলো

রমজানে ইফতারের অন্যতম খাবার কলা। তাই বর্তমানে বাজারে কলার বেশ চাহিদা বেড়েছে। এ সুযোগে একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী কাঁচা কলায় ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে পাকিয়ে বাজারে বিক্রি করছে।

শনিবার মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার খুনিরটেক বাজারে অভিযান পরিচালনা করে এর প্রমাণ পেয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। এসময় কেমিক্যাল দিয়ে পাকানো ৫ হাজার পিস কলা নষ্ট করে ফেলা হয়। জরিমানা করা হয় দুই ব্যবসায়ীকে।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

তিনি জানান, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য মিশিয়ে কাঁচাকলা পাকানো হচ্ছে-এমন খবরে সকালে সাটুরিয়া উপজেলার ওই বাজারে অভিযান চালানো হয়। এসময় সাগর হোসেন ও আইয়ুব আলী নামে দুই ব্যবসায়ীর গোডাউনে রাসায়নিক দ্রব্য মেশানো ৫ হাজার পিস কলা জব্দ করা হয়। পরে সেগুলো নষ্ট করে ফেলে দেয়া হয়।

ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য দিয়ে কাঁচাকলা পাকানোর দায়ে ওই দুই ব্যবসায়ীকে ৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আসাদুজ্জামান রুমেল আরও জানান, রমজানে কলার অতিরিক্ত চাহিদাকে পুঁজি করে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্য মিশিয়ে রাতারাতি কাঁচা কলা পাকিয়ে বাজারজাত করছে। জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এ ব্যাপারে সচেষ্ট। অভিযোগ পেলেই অভিযান চালানো হচ্ছে। রমজান জুড়েই এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানের সময় সাটুরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক নিলুফার ইয়াসমিন ঝর্ণা ও ৩৮ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, কাঁচা কলায় রাসায়নিক দ্রব্য মেশানোর পর অন্ধকার ঘরে অথবা মাটির গর্তে রাখা হয়। ১২ ঘণ্টার মধ্যেই কাঁচা কলা পেকে যায়। পরে সেগুলো স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন অসাধু ব্যবসায়ীরা।

বি.এম খোরশেদ/এমএএস/জেআইএম