দেশজুড়ে

কাঁঠালবাড়ী ঘাটে ঘরমুখো যাত্রীদের ঢল

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে কোনোভাবেই ঠেকানো যাচ্ছে না যাত্রীর চাপ। গাদাগাদি করে পারাপার হচ্ছেন যাত্রীরা। শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌরুটে লঞ্চ-স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ফেরিতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। ঈদ সামনে রেখে সোমবার (১৮ মে) সকালে কাঁঠালবাড়ী ফেরিঘাটে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে।

এদিকে রোববার (১৭ মে) রাতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মাত্র চারটি ফেরি চলাচল করেছে। পরে সকাল থেকে ১৩টি ফেরি চালু করা হয়। ফেরিগুলোতে শুধু যাত্রী আর যাত্রী। হাজার হাজার যাত্রীর কারণে জরুরি পরিষেবার গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স পারাপারে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা না থাকায় ঘাটে যানবাহনের চাপ বেড়েছে অধিক হারে। উভয় পাড়ে শতাধিক যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় নদী পার হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে যাত্রীদের অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক চড়ে গুনতে হচ্ছে কয়েকগুণ বাড়তি ভাড়া। এতে নারী, বৃদ্ধ ও শিশুরা চরম বিপাকে পড়ছেন। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগ আর কয়েকগুণ টাকা খরচ করে বরিশাল, খুলনা, ভোলা, গোপালগঞ্জসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় ফিরছে মানুষ।

মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, মানুষ বিভিন্ন উপায়ে ফেরিঘাটে এসে জমায়েত হচ্ছে। ঈদ উপলক্ষে ঢাকা থেকে বাহির অথবা ঢাকার বাহির থেকে ঢাকায় প্রবেশে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। সে নির্দেশনা অনুযায়ী কাঁঠালবাড়ী ঘাটে যেন যাত্রীরা জড় না হতে পারে সে ব্যাপারে ফেরি কর্তৃপক্ষকে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির কাঁঠালবাড়ী ঘাটের ম্যানেজার আব্দুল আলীম বলেন, এ রুটে ১৩টি ফেরি চালু রাখা হয়েছে। উভয় পাড়ে শত শত যানবাহন পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

এ কে এম নাসিরুল হক/আরএআর/এমকেএইচ