দেশজুড়ে

পটুয়াখালীতে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাব শুরু

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট সুপার সাইক্লোন আম্ফানের অগ্রবাগের প্রভাব পড়া শুরু হয়েছে পটুয়াখালীতে। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টির সঙ্গে বইছে ঝড়ো হাওয়া। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিও হচ্ছে। এছাড়া বঙ্গোপসাগর ও পটুয়াখালীর নদ-নদীতে জোয়ারের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন পর্যন্ত ৩ লাখ মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে বলে জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়েছে।

বুধবার (২০ মে) সন্ধ্যায় পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক মো. রাহাত হোসেন বলেন, ইতোমধ্যে সুপার সাইক্লোন আম্ফানের অগ্রভাগের প্রভাব পড়া শুরু হয়েছে । আম্ফান উপকূল অতিক্রম করার অবস্থানে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মূল ঝড় সুন্দরবনকে পূর্ব পাশে রেখে পশ্চিমবঙ্গ এবং খুলনা অঞ্চলের ওপর দিয়ে যাবে। পটুয়াখালী অঞ্চলেও এর প্রভাব থাকবে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফান অতিক্রমকালে বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১৪০ কিলোমিটার। বর্তমানে বাতাসের গতি ১১০ কিলোমিটার আছে। ঝড়টি রাত ১০টা থেকে ১১টায় অতিক্রম করবে।

রাহাত হোসেন বলেন, জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বশেষ বৃষ্টিপাত ৩৬.৩ মিলিমিটার রেকর্ড করা হয়েছে।

এদিকে জেলার চরগুলোতে পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার নেই। ওইসব এলাকার মানুষদের নিরাপদে নিয়ে আসা হচ্ছে।

বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এনামুল হক আলকাছ মোল্লা বলেন, আমার ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। এখানে কোনো সাইক্লোন শেল্টার নেই। তাই ট্রলারযোগে দুর্গত মানুষদের মূল ভূখণ্ডে নিয়ে যাচ্ছি।

রাঙ্গাবালী উপজেলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল থেকেও সাধারণ মানুষ কিছুটা উঁচু স্থানে আশ্রয় নিচ্ছেন। অনেকেই আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছেন। তবে পর্যাপ্ত সাইক্লোন শেল্টার না থাকায় কেউ কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এখনও বাড়িতে রয়েছেন।

মহিব্বুল্লাহ্ চৌধুরী/আরএআর/এমকেএইচ