কর্মস্থলে যোগদান করতে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে ঢাকায় ফিরছেন হাজার হাজার যাত্রী। তবে এ সময় সামাজিক দূরত্ব মানতে দেখা যায়নি যাত্রীদের।
শনিবার (৩০ মে) সকাল থেকে দৌলতদিয়া ফেরি এলাকায় যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ আরও বাড়ছে।
এ সময় ফেরিতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে পুলিশ দায়িত্ব পালন করলেও যাত্রীরা তা মানছেন না। যাত্রীদের পাশাপাশি ফেরি ঘাটে ব্যক্তিগত ছোট গাড়ি মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকারের চাপও রয়েছে। এছাড়া অনেককে মোটরসাইকেল নিয়ে ঢাকামুখী হতে দেখা গেছে।
সড়কে গণপরিবহন না থাকায় স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া দিয়ে মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, মাহেন্দ্রা, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দৌলতদিয়া ঘাটে এসেছেন যাত্রীরা।
ঢাকামুখী যাত্রীরা জানান, সড়কে বাস না থাকায় তারা কয়েকজন মিলে মাইক্রেবোস, প্রাইভেটকার ভাড়া করে দৌলতদিয়া ঘাটে আবার অনেকে ঢাকায় যাচ্ছেন। এ সময় তাদের অনেক টাকা বাড়তি লাগছে। আবার কেউ কেউ বিভিন্ন মাধ্যমে দৌলতদিয়া প্রান্তে এসে পাঁয়ে হেঁটে ফেরিতে উঠছেন। নদী পার হয়ে পাটুরিয়াতে গিয়ে কিভাবে ঢাকায় যাবেন, তা জানেন না। পাটুরিয়াতে গিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন কিভাবে ঢাকায় যাবেন।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট সহকারী ব্যবস্থাপক মো. মাহবুব হোসেন জানান, বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ছোট বড় ৭টি ফেরি চলাচল করছে। ঢাকামুখী যাত্রী ও ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ রয়েছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে চাপ আরও বাড়বে বলে ধারণা করছেন। যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়লে ফেরির সংখ্যাও বাড়ানো হবে। এছাড়া দৌলতদিয়া প্রান্তে পণ্যবাহী ট্রাকের কোনো সিরিয়াল নেই। তবে ঢাকা থেকেও আজও অনেক যাত্রী ও ছোট গাড়ি আসছে।
রুবেলুর রহমান/এফআর/এমএস