আন্তর্জাতিক

টোকিওতে দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ সংক্রমণের রেকর্ড

মহামারি করোনাভাইরাস প্রতিরোধ সফল হিসেবে বিবেচিত হওয়া জাপানের রাজধানী শহর টোকিওতে বিগত দুই মাসের মধ্যে বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ ১০৭টি সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তবে নতুন করে রেকর্ড সংক্রমণ হলেও দেশটির মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলছেন, নতুন করে আবার জরুরি অবস্থা জারি করার কোনো প্রয়োজন নেই।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, গত ২৫ মে সরকার করোনার বিস্তার রোধে দেশজুড়ে জারি জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের পর প্রথমদিকে প্রায় দেড় কোটি বাসিন্দার জাপানের রাজধানী শহর টোকিওতে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ছিল বিশ এর কম। তবে গত সপ্তাহজুড়ে দৈনিক সংক্রমণ ছিল ৫০ এর বেশি। এখন তা একশ ছাড়িয়েছে।

টোকিওতে গত ২ মে সবশেষ দৈনিক একশ এর বেশি সংক্রমণ শনাক্ত হয়। এরপর দুই মাস শনাক্তের সংখ্যা একশ’র ঘরে পৌঁছায়নি কোনোদিন। সবশেষ গতকাল বুধবার পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হন ৬৭ জন। টোকিও গভর্নর ইউরিকো কোইকে জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার শনাক্তদের মধ্যে ৭০ শতাংশের বয়স ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে।

গভর্নর ইউরিকো কোইকে বলেন, ‘যেভাবেই হোক না কেন নতুন করে সংক্রমণ বৃদ্ধির এই বিষয়টি অস্বস্তিকর। আমি টোকিওর সব বাসিন্দাকে এবং নগরের ব্যবসায়ীদের এই সংক্রমণ রোধে সহযোগিতা করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।’

তবে চিফ ক্যাবিনেট সেক্রেটারি ইয়োশিদি সুগা এখনই নতুন করে জরুরি অবস্থা জারি করার প্রয়োজনীয়তা দেখছেন না। সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘জরুরিভিত্তিতে যেসব কিছু এলাকার সংক্রমণ পরিস্থিতির ওপর আমরা নজর দিচ্ছি এবং সংক্রমণের বিস্তার রোধের সঙ্গে আমরা অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখার বিষয়টিতে সমর্থন করছি।’

তবে টোকিওতে রেকর্ড সংক্রমণ সত্ত্বেও জাপানে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা এখনও ১৯ হাজারের কম। কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্তের পর প্রাণহানি ৯৭৬ জনের। বিশ্বের অন্য অনেক দেশের তুলনায় জাপানে মহামারি এই ভাইরাসটির সংক্রমণের হার অনেক কম।

এসএ/এমকেএইচ