ফেনীতে অভিযান চালিয়ে পাঁচ টন নিষিদ্ধ আফ্রিকান মাগুর মাছ জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (৮ জুলাই) সকালে ফেনী পৌর মৎস্য আড়তে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় চার আড়তদারকে জরিমানাও করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফেনী পৌর মাছের আড়তে অভিযান চালানো হয়। এ সময় চারটি আড়ত থেকে বিক্রয় নিষিদ্ধ পাঁচ টন আফ্রিকান মাগুর মাছ জব্দ করা হয়। এসব মাছ মজুত ও বিক্রির দায়ে মেসার্স মা মৎস্য আড়তকে চার হাজার টাকা, পদ্মা জননী ও নোয়াখালী মৎস্য আড়তকে তিন হাজার করে মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পরে জব্দকৃত মাছগুলো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সহায়ের মাধ্যমে রানীর হাট হিজড়া পল্লী, লালপোল ও রানীর হাট বেদে পল্লী, ধর্মপুর আশ্রয়ন প্রকল্প ও এতিমখানা এবং ভ্রাম্যমাণ ছিন্নমূল ব্যক্তিসহ দুই হাজার পাঁচ শতাধিক পরিবারের মাঝে বিতরণ করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামান জানান, ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রোটেশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিশ রুল ১৯৮৫ এর সংশোধিত ধারায় আফ্রিকান মাগুর মাছের আমদানি, বিপণন ও উৎপাদন নিষিদ্ধ করে। এ প্রজাতির মাছ আমাদের দেশীয় মাছ ও পোনা এবং পুকুরের অন্য সব জীব খেয়ে জীববৈচিত্র ধ্বংস করে।
অভিযানে ফেনী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
রাশেদুল হাসান/আরএআর/পিআর