আইন-আদালত

আইনজীবী সেজে মুহুরির শুনানি, ধরা খেয়ে কারাগারে

সহকারী (মুহুরি) হয়ে আইনজীবী পরিচয় দিয়ে মহানগর দায়রা জজ আদালতে ভার্চুয়াল জামিন শুনানিতে অংশ নেন আবুল বাশার (৩৭)। এ সময় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের সন্দেহ হয়। তিনি ঢাকা আইনজীবী সমিতির নেতাদের বিষয়টি জানান। ঢাকা আইনজীবী সমিতির নেতারা তাকে আটক করেন। এরপর ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

Advertisement

শুক্রবার (৭ আগস্ট) আবুল বাশারকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। এ সময় কোতোয়ালি থানায় প্রতারণার মামলায় তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদার তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকা আইনজীবী সমিতির ‘টাউট উচ্ছেদ কমিটি’ আবুল বাশারকে আদালত চত্বর থেকে আটক করেন। তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন বারের এক আইনজীবীর মুহুরি। আটকের পর ঢাকা বারের দফতর সম্পাদক এইচ এম মাসুম বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলাটি করেন।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, আবুল বাশার গত ৪ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের ভার্চুয়াল আদালতে আইনজীবী সেজে ভাটারা থানার একটি জিআর মামলার জামিন শুনানি করেন। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হওয়ায় মহানগর দায়রা জজ ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ইকবাল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক হোসেন আলী খান হাসানকে তা অবহিত করেন।

Advertisement

পরে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে বৃহস্পতিবার দুপুর ১টার দিকে ঢাকা জজ কোর্ট এলাকার চৌধুরী ভিলার ২০৪ নম্বর রুম থেকে আবুল বাশারকে আটক করা হয়। তাকে আটকের পর সে নিজেকে ঢাকা মেট্রোপলিটন বার অ্যাসোসিয়েশনের মুহুরি হিসাবে পরিচয় দেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে আনা হয়।

জেএ/এএইচ/এমএস