জাতীয়

৭৫ স্থাপনায় এডিসের লার্ভা, ৬২ হাজার টাকা জরিমানা

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষা দিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ৫৪টি ওয়ার্ডে একযোগে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

Advertisement

সোমবার (১০ আগস্ট) তৃতীয় পর্যায়ের বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের তৃতীয় দিনে মোট ১৩ হাজার ৬৫৬টি বাড়ি, স্থাপনা, নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে মোট ৭৫টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ৭ হাজার ৯৫৯টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যাওয়ায় সেসব স্থানে কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়েছে। এ সময় ২৬টি মামলায় মোট ৬২ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

আজকের অভিযানে উত্তরা অঞ্চল-১ এর অধীনে মোট ১ হাজার ২২৪টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১০টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ৩টি মামলায় মোট ১৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া ১ হাজার ২৩টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

মিরপুর অঞ্চল-২ এর অধীনে মোট ২ হাজার ৮৩৮টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং ৩৫০টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এ সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে বাসার বাইরে মাস্ক ব্যাবহার না করার অপরাধে ১৯টি মামলায় মোট ১ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে এবং করোনা প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

Advertisement

মহাখালী অঞ্চল-৩ এর অধীনে মোট ১ হাজার ৭০৫টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৩৩টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং ১ হাজার ৬৫টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এ সময়ে ২টি মামলায় মোট ৪২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

মিরপুর ১০, অঞ্চল-৪ এর অধীনে মোট ১ হাজার ৩৭৭টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৮টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়, তবে কোনো জরিমানা করা হয়নি। এছাড়া ৭১৪টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

কারওয়ান বাজার অঞ্চল-৫ এর অধীনে মোট ২ হাজার ৩৯৮টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৯টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ১ হাজার ৯৩১টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

হরিরামপুর অঞ্চল-৬ এর অধীনে মোট ১ হাজার ১৫০ টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৬টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ২টি মামলায় মোট ৫ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া ৮১৪টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

Advertisement

দক্ষিণখান অঞ্চল-৭ এর অধীনে মোট ৯৬৬টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৫টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ৭৪২টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

উত্তরখান অঞ্চল-৮ এর অধীনে মোট ৭৩৪টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ১টি স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ৪৩৫টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

ভাটারা অঞ্চল-৯ এর অধীনে মোট ৪৮৯টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ২টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ২৭৮টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

সাতারকুল অঞ্চল-১০ এর অধীনে মোট ৭৭৫টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে কোনো এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়নি। তবে ৬০৭টি বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

তৃতীয় পর্যায়ের অভিযানের এই তিন দিনে মোট ৩৯ হাজার ৭৭৬টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ২৪৪টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং তিন দিনে মোট ২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এএস/এমএসএইচ/এমএস