দেশজুড়ে

পানিতে ভেসে উঠল নিখোঁজ দুই কলেজছাত্রের লাশ

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ ও কটিয়াদীতে নদীতে ডুবে নিখোঁজ হওয়ার পর দুই কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে তাদের মরদেহ পানিতে ভাসমান অবস্থায় পাওয়া যায়।

Advertisement

নিহতরা হলেন- কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের চরপুক্ষিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. কাইমুল ইসলাম কামরুলের ছেলে ইকরামুল ইসলাম সৌরভ (২০) ও নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলাধীন চরমান্দালিয়া ইউনিয়নের মজিতপুর গ্রামের মো. আব্দুল কাদিরের ছেলে মো. সোহেল রানা (২১) ।

এদের মধ্যে সৌরভ কিশোরগঞ্জ ওয়ালিনেয়াজ খাঁন কলেজের ইংরেজি বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন। আর সোহেল রানা ঢাকা কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

করিমগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুল ইসলাম ও কটিয়াদী থানা পুলিশের ওসি মো. আ. জলিল দুই কলেজছাত্রের মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুইজনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

Advertisement

পুলিশ জানায়, গত শনিবার (৮ আগস্ট) সৌরভ তার ভাই ও বন্ধুদের নিয়ে কটিয়াদী থেকে করিমগঞ্জ ও মিঠামইনের হাওর পর্যটন এলাকায় ঘুরতে যান। নৌকা দিয়ে মিঠামইন থেকে ফেরার পথে করিমগঞ্জ উপজেলাধীন হাসানপুর ব্রিজের নিচে প্রবল স্রোতের মধ্যে গোসল করার সময় একই পরিবারের সদস্য প্রভাষক হাদিউল ইসলাম রুবেল, ইকরামুল ইসলাম সৌরভ ও ফারহান শোভন নামে তিনজন পানিতে ডুবে নিখোঁজ হন।

ওই দিন সন্ধ্যায় হাদিউল ইসলাম রুবেলের (৩৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার চাচাতো ভাই ফারহান শোভনকে (১৭) জীবিত উদ্ধার করা হলেও নিখোঁজ হন সৌরভ। দুইদিন পর সোমবার সকালে হাসানপুর সেতু থেকে দুই কিলোমিটার দূরে পানিতে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

অপরদিকে রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে কটিয়াদী উপজেলা ও নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া আড়িয়ালখাঁ নদে সাঁতার কাটতে নেমে নিখোঁজ হন মো. সোহেল রানা। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল চেষ্টা চালিয়েও সোহেলের কোনো সন্ধান পাননি। সোমবার সকালে কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের মৃধা বাড়ি খেয়া ঘাটে তার মরদেহ ভেসে ওঠে।

নূর মোহাম্মদ/আরএআর/এমএস

Advertisement