গত ২৪ ঘণ্টায় পদ্মা নদীর পানি রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া গেজ স্টেশন পয়েন্টে ৪ সেন্টিমিটার কমে বিপৎসীমার ১৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
দ্বিতীয় দফা বন্যার পানি কমতে না কমতে আবারও পানি বাড়ায় দুর্ভোগে রয়েছেন নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা। তৃতীয় দফায় প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চলের ফসলি জমিসহ কিছু বসতবাড়ি। দফায় দফায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক ও নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। তবে পানি কমতে থাকায় স্বস্তি ফিরেছে নিম্নাঞ্চলে বসবাস করা বাসিন্দাদের।
বন্যা কবলিতরা জানান, পর পর দুই দফা বন্যার পর তৃতীয় দফায় আবার পানি বাড়ায় নতুন করে ভোগান্তিতে পড়েছেন তারা। একদিকে করোনা অন্যদিকে বন্যার পানি। কোনো কাজকর্ম নেই। পরিবার পরিজন নিয়ে কোনো রকমে বেঁচে আছেন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক গোপাল কৃষ্ণ দাস জানান, দ্বিতীয় দফা বন্যার সময় নদীর পানি বিপৎসীমার সর্বোচ্চ ওপরে ছিল। তবে এখন কমছে। ওই সময় ১৫৩৭ হেক্টর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়ে ৯ কোটি ২৬ লক্ষ ৭৬ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখন আর ক্ষতির সম্ভাবনা নেই।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল করিম জানান, বন্যায় জেলার ৪টি উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের ১০৭টি গ্রামের ৯১ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে খাদ্য সহায়তা, নগদ অর্থ, শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য, গো খাদ্য দিয়েছেন। নতুন করে আর কোনো সহযোগিতা করা হচ্ছে না।
রুবেলুর রহমান/এফএ/জেআইএম