প্রতিনিয়ত বাল্যবিয়ে এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের ধরন পাল্টে যাচ্ছে। ঘরের ভেতর, বাইরে, কলকারখানা, গণপরিবহন- সর্বত্রই নারী নির্যাতন ও যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটছে। বুধবার দুপুরে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের নগরপাড়া এলাকার ব্র্যাকের কার্যালয়ে নারী ও শিশুর প্রতি জেন্ডারভিত্তিক নির্যাতন প্রতিরোধে বর্তমান প্রেক্ষাপট ও সাংবাদিকদের ভূমিকা শীর্ষক এক কর্মশালায় ওই তথ্য জানানো হয়।
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ব্র্যাকের জেলা সমন্বয়ক মো. আবু জাফর। বক্তব্য রাখেন সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচির আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (ময়মনসিংহ অঞ্চল) মো. গোলজার রহমান, ব্র্যাকের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক সামসুন্নাহার, সাংবাদিক মজিবুর রহমান, খায়রুল ইসলাম, মো. আমিনুল ইসলাম, আবদুর রহমান ব্র্যাকের নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ নেটওয়ার্কের সদস্য কাজী মোসাদ্দেক হোসেন প্রমুখ। ব্র্যাকের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক সামসুন্নাহার বলেন, অনেক ক্ষেত্রে শুধু কলেমা পড়িয়ে মৌলভী ডেকে বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হচ্ছে। তাদের কোনো রেজিস্ট্রেশন হয় না বা কাজী দিয়ে বিয়ে সম্পন্ন করা হয় না। দেশে এখনও বর-কনে পক্ষের সম্মতিতেই বাল্যবিয়ে ঘটছে। নানা কৌশলে দেশে শিশুদের বাল্যবিয়ে হচ্ছে এবং গণপরিবহনে নারীরা যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
এসব প্রতিরোধে আগে ঘরের ভেতর থেকেই কাজ শুরু করতে হবে এবং সমাজে জেন্ডার বৈষম্য দূর করে সচেতনতামূলক কর্মসূচি নিতে হবে। তবেই দেশে নারী নির্যাতন, যৌন হয়রানি ও বাল্যবিয়ে কমানো সম্ভব। এক্ষেত্রে সাংবাদিকরাও তাদের প্রতিবেদন তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
আমিনুল ইসলাম/এমএএস/এমএস