স্বাস্থ্য

বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে ‘এটুআই লাইভ টেলিমেডিসিন’

করোনাকালীন দেশের প্রান্তিক মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে স্বাস্থ্য অধিদফতর এবং এটুআই-এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘কোভিড-১৯ টেলিহেলথ সেন্টার’ চালু করেছে ‘এটুআই লাইভ টেলিমেডিসিন’।

Advertisement

করোনা রোগীদের মধ্যে যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তাদের করণীয় ও বর্জনীয় বিষয় নিয়ে অনলাইনে লাইভ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে রোববার (২৫ অক্টোবর) এটুআই লাইভ টেলিমেডিসিন সেবার ১ম পর্ব শুরু হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে সারাদেশ থেকে ডায়াবেটিস আক্রান্ত রোগীরা যুক্ত হন এবং তাদের স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রদান করা হয়। লাইভ টেলিমেডিসিন অনুষ্ঠানটি এটুআই-এর অফিসিয়াল পেজ থেকে সরাসরি প্রচারিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বারডেম হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি ও ডায়াবেটিস বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. এস এম আশরাফুজ্জামান সরাসরি যুক্ত হয়ে রোগীদের সমস্যার কথা শোনেন এবং তাদেরকে স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রদান এবং ই-প্রেসক্রিপশন প্রদান করেন।

এ সময় সহযোগী বিশেষজ্ঞ হিসেবে যুক্ত ছিলেন সিনেসিস হেলথ/আইটির প্রধান নির্বাহী ও স্বাস্থ্য বাতায়নের জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. নিজাম উদ্দিন আহমেদ। এটুআই লাইভ টেলিমেডিসিন অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন এটুআই-এর চিফ ই-গভর্নেন্স স্ট্যাটিজিস্ট ও কোভিড-১৯ টেলিহেলথ সেন্টারের চিফ কো-অর্ডিনেটর ফরহাদ জাহিদ শেখ।

Advertisement

করোনাকালীন দেশব্যাপী টেলিমেডিসিন সেবাকে জনগণের হাতের মুঠোয় পৌঁছে দিতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ও ইউএনডিপি বাংলাদেশের সহায়তায় পরিচালিত এটুআই প্রোগ্রাম এবং স্বাস্থ্য অধিদফতর গত জুনে ‘কোভিড-১৯ টেলিহেলথ সেন্টার’ চালু করেছে।

এই টেলিহেলথ সেন্টারের মাধ্যমে দেশের স্বনামধন্য চিকিৎসকরা এখন পর্যন্ত প্রায় ১ লাখ ৭৩ হাজার ৮৯৯ জন করোনা রোগীকে টেলিমেডিসিন সেবা প্রদান করেছেন এবং এর মাধ্যমে করোনা আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে ৯৮.৫ শতাংশ রোগী সুস্থ হয়েছেন। সারাদেশ থেকে যেকোনো করোনা আক্রান্ত রোগী ০৯৬৬৬৭৭৭২২২ নম্বরে কল করে অথবা ৩৩৩ নম্বরে (টোল ফ্রি) কল করে স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণ করতে পারছেন।

লাইভ টেলিমেডিসিন সেবা কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া। আগামীতেও বিভিন্ন বিষয় এর ওপরে এমন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। ফলে ঘরে বসেই রোগীরা সরাসরি চিকিৎসকের কাছ থেকে টেলিমেডিসিন সেবা ও পরামর্শ পাবেন। এই টেলিমেডিসিন লাইভে আরও যুক্ত থাকবেন বিভিন্ন হাসপাতালের অভিজ্ঞ চিকিৎসকরা।

এএস/এমএসএইচ

Advertisement