প্রবাস

কানাডায় বিভিন্ন প্রদেশে সতর্কতা : মৃত ১০ হাজার ছাড়াল

কানাডার তিনটি প্রধান অন্টারিও, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া ও আলবার্টাসহ অন্যান্য প্রদেশেও প্রতিদিনই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এদিকে অন্টারিও প্রদেশের তিনটি প্রধান অঞ্চল টরন্টো, অটোয়া এবং পিল রিজিওনে বাড়তি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

Advertisement

শনিবার ২৮ দিনের জন্য কার্যকর হওয়া পদক্ষেপগুলির মধ্যে- রেস্তোরাঁ ও বারের ভেতরে খাওয়া-দাওয়া নিষিদ্ধ ছাড়াও জিম, সিনেমা থিয়েটার ক্যাসিনো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। প্রদেশগুলোর নীতি নির্ধারকরা কার্যকর পদক্ষেপের পাশাপাশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মাস্ক ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

অন্যদিকে আলবার্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে ক্যালগারি এবং অ্যাডমন্টনে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। প্রদেশটিতে সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ১৪৪০ জন নতুন করোনা শনাক্ত হওয়ার পরে সামাজিক দূরুত্ব মেনে চলাফেরা করতে বলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, আলবার্টার ক্যালগারি এবং এডমন্টন উভয় শহরের ক্ষেত্রেই করোনা পজিটিভের হার এখন চার শতাংশের উপরে বলে জানা গেছে।

Advertisement

অন্যদিকে টরন্টো সিটির শীর্ষ চিকিৎসক আইলিন ডি ভিলা সতর্ক করে বলেছেন, টরন্টোতে মহামারির প্রথম ধাপের সংক্রমণের হারকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে টরন্টোতে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাবে। ভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ না করলে এই শীতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, টরন্টোতে কোভিড-১৯-এর বিস্তার সীমিত রাখার বিষয়টি সিটির বাসিন্দাদের যথাযথ সিদ্ধান্তের উপর নির্ভর করবে। ভাইরাসটি একজন থেকে অন্যজনের শরীরে যেন না ছড়িয়ে পড়ে তাই যতটা সম্ভব নিজেদের মধ্যে শারীরিক যোগাযোগ সীমিত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

রোববার অন্টারিও একদিনে রেকর্ড সংখ্যক ১ হাজার ৪২ জন করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর আইলিন ডি ভিলা এমন মন্তব্য করলেন।

Advertisement

এদিকে আজ অন্টারিও সরকার ঘোষণা করেছে, কোভিড-১৯ মহামারিকালে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থায় সক্ষমতা বাড়াতে ব্যাপক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে একশত নতুন হাসপাতালের বেড তৈরিতে ১১৬.৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় করবে।

মঙ্গলবার সকালে ব্র্যাম্পটন সিভিক হাসপাতালে প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড এই ঘোষণা দেন। ওয়ার্ল্ডওমিটারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২ লাখ ২২ হাজার ৮৮৭ জন, মৃত্যুবরণ করেছে ১০ হাজার ১ জন এবং সুস্থ হয়েছে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৬৪ জন।

এমআরএম/পিআর