দেশজুড়ে

চালের দামে বিপাকে রাজবাড়ীর নিম্নআয়ের মানুষ

হঠাৎ করে অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে রাজবাড়ীর চালের বাজার। এতে বিপাকে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষরা। গত এক সপ্তাহে প্রকারভেদে রাজবাড়ীতে চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে কেজিতে ৩-৭ টাকা পর্যন্ত।

এদিকে চালের বাজার বৃদ্ধির জন্য মিল মালিকদের দায়ী করছেন রাজবাড়ী চাল ব্যবসায়ীরা এবং ক্রেতারা বলছেন দাম বেশি হওয়ায় কম চাল কিনছেন তারা।

চাল দৈনন্দিন জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। নিম্নআয়ের মানুষসহ প্রায় সব পরিবারেই চাল প্রয়োজনীয় উপাদান। কিন্তু রবি মৌসুমেও চালের দাম বাড়ায় হতাশ ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা। এদিকে চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্রেতার যেমন চাল কম কিনছেন, তেমনি ব্যবসায়ীদেরও বিক্রি হচ্ছে কম।

জানা গেছে, রাজবাড়ীর চাল ব্যবসায়ীরা রংপুরসহ দেশের বিভিন্নস্থান থেকে চাল আমাদানি করেন। বর্তমানে সেখানে দাম বৃদ্ধির কারণে রাজবাড়ীতেও চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। যেমন: বাসমতি ৫৮-৬২, মিনিকেট ৫২-৫৪, কাজল লতা ৫০, নাজির শাইল ৫৪-৫৬, আটাশ ৪৮ ও উনত্রিশ ৪৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহে ছিল কেজিতে ৩-৭ টাকা কম।

ক্রেতারা বলেন, সারাদিন কাজ করে যে টাকা পান, সে টাকা দিয়ে কিছুই হয় না। চালসহ সব কিছুর দামই বেশি। দাম একটু কম হলে তারা একটু বেশি চাল কিনতে পারতেন। পরিবারের সদস্যসংখ্যা বেশি হওয়ায় চালও বেশি প্রয়োজন।

খুচরা বিক্রেতারা জানান, চালের দাম বেশি হওয়ায় তাদেরও সমস্যা হচ্ছে। ক্রেতারা বেশি দামে চাল কিনতে চায় না। মোকামে দাম বেশি হওয়ায় কেজিতে ৩-৪ টাকা দাম বৃদ্ধি হয়েছে। এখন যেভাবে তারা কিনছেন, সেভাবেই বিক্রি করছেন।

রাজবাড়ী চাল বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাজী বেনজির আহম্মেদ বলেন, মূলত অটো রাইসমিলের মালিকরা লাভ উপভোগ করছেন এবং ব্যবসায়ীরা কোনো কিছু পাচ্ছেন না। গত দুই সপ্তাহে রাজবাড়ীতে চালের দাম প্রায় ৬-৭ টাকা কেজি প্রতি বেড়ে গিয়েছে। বিক্রিও কমে গেছে। ক্রেতারা একাধিক দোকান ঘুরে চাল কিনছেন।

রুবেলুর রহমান/এসএমএম/জেআইএম