শরীয়তপুর পৌরসভায় জাঁকজমকপূর্ণ প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন নৌকার প্রার্থী। তবে নেতাকর্মীরা মাঠে না থাকায় প্রকাশ্য প্রচার থেকে দূরে থাকছেন বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও বাংলাদেশ ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের প্রার্থীরা।
১ জানুয়ারি থেকে মাঠে সরব আওয়ামী লীগের প্রার্থী শরীয়তপুর জজ কোর্টের এপিপি এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী পারভেজ রহমান জন।
শুক্রবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে ধানুকা, নীলকান্দি, আংগারিয়াসহ কয়েকটি স্থানে প্রচারণা চালান তিনি।
সেদিন বিকেলে আংগারিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠে পথসভা করেন তিনি।
পথ সভায় তিনি বলেন, শরীয়তপুর পৌরসভার মানুষ আমাকে ভালোবাসেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকা প্রতীক দিয়েছেন। নৌকা প্রতীকে আপনাদের মূল্যবান ভোটটি দিবেন। যাতে নৌকা বিপুল ভোটে জয়ী হয়।
এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও শরীয়তপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুর রব মুন্সী, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল হাসেম তপাদার, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক দফতর সম্পাদক আলমগীর মুন্সী, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফাহাদ হোসেন তপু, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, শরীয়তপুর পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এম জাহাঙ্গীর মৃধা, জেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক মো. মহসিন মাদবর, যুগ্ম আহ্বায়ক রাশেদুজ্জামান রাশেদ, পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯নং সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী (চশমা) পান্না খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ পৌরসভায় শুরু থেকেই প্রচারণায় আছেন বিএনপির প্রার্থী শরীয়তপুর সদর পৌরসভা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট লুৎফর রহমান ঢালী। তিনি গোপনে বাড়িতে-বাড়িতে, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে গিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন।
লুৎফর রহমান ঢালী বলেন, নির্বাচনী এলাকায় প্রকাশ্যে প্রচারণায় নামতে পারছি না। নামলেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বাধা দেন।
এছাড়া মাঠে দেখা যাচ্ছে না জাতীয় পার্টির প্রার্থী জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক সাহিদ সরদার ও বাংলাদেশ ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের সদর উপজেলা সভাপতি তানভীর আহমেদ বেলালকে।
তবে সবকটি দলের পোস্টারে ছেয়ে গেছে শরীয়তপুর পৌরসভার ওয়ার্ড ও বাজারগুলো। সেই সঙ্গে সারাক্ষণ চলছে মাইকিং। নির্বাচন আসলেই যেন মেতে উঠে শহরগুলো।
ছগির হোসেন/এসএমএম/এমএস