ক্যাম্পাস

দ্বিতীয়বারের মতো মেয়াদ পূর্ণ করলেন ইবি উপ-উপাচার্য

টানা দ্বিতীয়বারের মতো মেয়াদ পূর্ণ করলেন কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান। ২০১৭ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি সরকার তাকে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেন।

এর আগে তিনি ২০১৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০১৭ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রথমবারের মতো সফলতার সঙ্গে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেন।

অধ্যাপক শাহিনুর রহমান ১৯৯১ সালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে প্রভাষক পদে কর্মজীবন শুরু করেন। একই বছরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।

১৯৯৪ সালে তিনি সহকারী অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। ২০০০ সালে সহযোগী অধ্যাপক ও ২০০৪ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে অধ্যাপনা করেছেন।

অধ্যাপক শাহিনুর রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সভাপতির দায়িত্ব পালনসহ ফোকলোর স্টাডিজ ও সোস্যাল ওয়েলফেয়ার বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৬ সালে মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিনের দায়িত্ব পালন করেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং বর্তমানেও করছেন।

এদিকে উপ-উপাচার্যের মেয়াদপূর্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রশাসন ভবনের সভাকক্ষে বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে উপ-উপাচার্যকে ফুল ও বই উপহার দিয়ে বিদায়ী সংবর্ধনা জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) আতাউর রহমান ও অনুষ্ঠানের সভাপতি কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সরওয়াদ মুর্শেদ। এরপর একে একে বঙ্গবন্ধু পরিষদ, শাপলা ফোরাম, বিভিন্ন হল, বিভাগ, বিভিন্ন অফিস প্রধান ও ইবি ছাত্রলীগ ফুল-ক্রেস্ট দিয়ে তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেন।

এসময় উপাচার্য অধ্যাপক শেখ আবদুস সালাম বলেন, ‘এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে প্রথম যার সঙ্গে আমার পরিচয়-সখ্যতা, তিনি ড. শাহিনুর রহমান। যে কোনো কাজে আমি তাকে পাশে পেয়েছি, ভালো ভালো পরামর্শ পেয়েছি। আজ তিনি বিদায় নিলেন। আমরা আশা করি একজন শিক্ষক হিসেবে তিনি আমাদের পাশে থাকবেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কাজ করে যাবেন।’

রায়হান মাহবুব/এসআর/এমএস