খেলাধুলা

আইসিসির কাছ থেকে নিশ্চয়তা পেয়ে গেছে পাকিস্তান!

ভারতের মাটিতে অনুষ্ঠিত হবে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। যেখানে পাকিস্তান অংশ নিতে পারবে কি পারবে না তা নিয়ে চলছিল বড় একটি দ্বীধা-দ্বন্দ্ব। বিশেষ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আইসিসির কাছে বারবারই বলা হচ্ছে, তারা যেন ভারতের কাছ থেকে ভিসা নিশ্চয়তা এনে দেয় এবং নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এনে দেয়।

Advertisement

শুধুমাত্র পাকিস্তানি ক্রিকেটারই নয়, কর্মকর্তা এবং ক্রিকেট সমর্থকদের ভিসা প্রাপ্তির বিষয়েও যেন নিশ্চয়তা এনে দেয়া হয়। কয়েকদিন আগেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান এহসান মানি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ভিসার নিশ্চয়তা না পেলে তারা ভারত থেকে বিশ্বকাপ সরিয়ে নেয়ার আবেদন জানাবেন।

শেষ পর্যন্ত পাকিস্তানের দাবি মেনে নিয়েছে ভারত। আইসিসি ভারতের কাছ থেকে পাকিস্তানের দাবির ব্যাপারে নিশ্চয়তা পেয়েছে বলে জানিয়েছে। বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন খোদ পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) চেয়ারম্যান এহসান মানি নিজেই।

পিসিবি চেয়ারম্যান আজ মিডিয়াকে জানিয়েছেন, আইসিসি তাদেরকে জানিয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড পাকিস্তানি ক্রিকেটার, কর্মকর্তা, সমর্থন এবং সাংবাদিকদের ভিসা দিতে রাজি হয়েছে। এ ব্যাপারে পূর্ণ প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা।

Advertisement

এহসান মানি একই সঙ্গে এটাও জানিয়েছেন, আগামী জুনে শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য এশিয়া কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টটি পিছিয়ে দেয়া হতে পারে। কারণ, যদি ভারত আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে, তাহলে।

এহসান মানি বলেন, ‘আমি আমাদের বোর্ডকে জানিয়েছি যে, বিসিসিআই আমাদেরকে ভিসার নিশ্চয়তা দেয়ার কথা ছিল ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে। কিন্তু তা হয়নি। কারণ, তাদের বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি ২বার হসপিটালাইজড হয়েছেন। তবে আমি বিষয়টা যখন আবারও আইসিসির কাছে তুললাম এবং তাদের (বিসিসিআই) সাথে বিষয়টা নিয়ে আলাপ করলাম, তখন আইসিসি আমাদেরকে নিশ্চয়তা দিয়েছে যে, বিসিসিআই দাবি মেনে নিয়েছে। আমি আগামীকাল (সোমবার) এ নিয়ে আরও একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করবো।’

পিসিবি জানাচ্ছে, ভারতের কাছ থেকে ভিসা নিশ্চয়তা চাওয়াটা তাদের অধিকার এবং কারও কোনো ক্ষমতা নেই যে পাকিস্তানকে বিশ্বকাপ থেকে দুরে রাখবে। এহসান মানি বলেন, ‘হয় আমরা পূর্ণ প্রটোকল সহকারে যাব টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে, না হয় বিশ্বকাপই ভারত থেকে সরে যেতে বাধ্য হবে।’

আইএইচএস/এমকেএইচ

Advertisement