দেশজুড়ে

তিনজনের মৃত্যু : সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতিকালে বিস্ফোরণ

সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতি নেয়ার সময় গাইবান্ধার বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। আর সেই বিস্ফোরণে বাড়ির মালিকসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) প্রাথমিক তদন্তে এ তথ্য উঠে আসে।

বুধবার (২৪ মার্চ) বিকেলে ঘটনার রহস্য উদঘাটনে কাজ করে পুলিশের কয়েকটি টিম।

পিবিআই গাইবান্ধার পুলিশ সুপার এআরএম আলিফ উদ্দিন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতি নেয়ার সময় এই বিস্ফোরণ হয়।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, বাড়ির মালিক বোরহান উদ্দিন দীর্ঘদিন কুয়েতে ছিলেন। কোনো সন্ত্রাসীর সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল কিনা সে বিষয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়া কি ধরনের দ্রব্য বিস্ফোরণ হয়েছে তাও জানার চেষ্টা চলছে। সব মিলিয়ে ঘটনাটির মূল রহস্য উন্মোচনে ইনভেস্টিগেশন হচ্ছে।

এদিকে নিহত অজ্ঞাত ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করেছেন গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম মেহেদী হাসান।

ওই ব্যক্তি হলেন- মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের কুমিড়াডাঙ্গা গ্রামের রানা মিয়া। বিস্ফোরণের সময় টিনের চালের সঙ্গে তিনি উড়ে পাশের জমিতে গিয়ে পরেন। এতে তার বাম হাতের কব্জি উড়ে যায়। এ ঘটনায় বাড়ির মালিকের ডান হাত বিচ্ছিন্ন হয়।

গাইবান্ধা জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত বোরহান উদ্দিনের পরিবারের চার নারী ও অজ্ঞাত একজনসহ মোট পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। বাড়ি থেকে বিভিন্ন আলামত উদ্ধার করা হয়েছে। আলামত পরীক্ষার পরে নিশ্চিত করা যাবে ঘটনাটি কি।

উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কামারদহ ইউনিয়নের নয়াপাড়া গ্রামের বোরহান উদ্দিনের বাড়ি যান তিন-চারজন অপরিচিত ব্যক্তি। এর কয়েক মিনিট পরই ওই বাড়ি থেকে শোরগোল ও গুলির শব্দ পাওয়া যায়। পরে বিকট শব্দে বিস্ফোরণে ঘরের টিনের চাল উড়ে যায়। এ ঘটনায় তিনজন মারা যান।

জাহিদ খন্দকার/জেডএইচ/এমএস