রাজবাড়ী পৌর এলাকায় যত্রতত্র ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পার্কিংয়ের কারণে যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। অথচ প্রত্যেক চালকের কাছ থেকে নিয়মিত ৩৫ টাকা করে পার্কিং কর আদায় করা হয়।
এছাড়া ভাড়া নির্ধারিত না থাকায় অটোচালকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন। এ নিয়ে যাত্রী-চালকদের মধ্যে প্রায়ই বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। ফলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে পৌরসভার বাসিন্দাদের।
জানা গেছে, জেলা শহরের প্রধান দুইটি রুট রেলগেট টু মুরগি ফার্ম (এক থেকে দেড় কিলোমিটার) ও রেলগেট টু শ্রীপুর (দুই থেকে আড়াই কিলোমটার) দূরত্বের। এ রুট দুটিতে নির্দিষ্ট কোনো যাত্রী ভাড়ার তালিকা নেই। ফলে ভাড়া নিয়ে যাত্রী ও চালকেরা প্রতিনিয়তই ঝামেলায় জড়ান।
নেহাল আহমেদ নামে পৌরসভার এক বাসিন্দা জানান, ছোট শহর হিসেবে রাজবাড়ীতে অটোরিকশার সংখ্যা বেশি। পৌরসভার মধ্যে অটো রাখার নির্দিষ্ট কোনো স্থান না থাকায় ভোগান্তি বাড়ছে। এছাড়া পৌর এলাকার মধ্যে ভাড়া নির্ধারিত নয়। ফলে তাদের মধ্যে সমস্যা হয়।
অটোচালকেরা জানান, প্রতিদিন তাদের ৩৫ টাকা পার্কিং করা দিতে হয়। কিন্তু পার্কিংয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই। আবার ভাড়া নির্ধারিত না থাকায় যাত্রীদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়াতে হয়।
রাজবাড়ী পৌর মেয়র আলমগীর শেখ তিতু বলেন, অটো পার্কিংয়ের ফি বাড়তে বাড়তে এখন ৩৫ টাকা নিচ্ছে ইজারাদারেরা। যা অনেক বেশি বলে অভিযোগ চালকদের। ফলে চালকেরা যাত্রীদের থেকে ভাড়া বেশি নিচ্ছে। এবারের ইজারায় প্রতি অটো থেকে ২০ টাকার বেশি নিতে পারবে না বলে নোটিশে উল্লেখ আছে। ভাড়া জনগণের চাহিদার বেশি হলে আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারিত করে দেয়া হবে।
রুবেলুর রহমান/এএএইচ/এমএস