লকডাউনে দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ থাকায় বিকল্প উপায়ে আজও রাজধানী ছেড়ে বাড়ি ফিরছেন হাজারো মানুষ। মঙ্গলবার সকাল থেকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে। তাদের মধ্যে নেই কোনো সামাজিক দূরত্ব।
মঙ্গলবার দুপুরে দৌলতদিয়ায় এমন চিত্র দেখা যায়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের চাপ আরও বাড়ছে।
এ সময় ফেরিতে সামাজিক দূরত্ব না মেনে গাদাগাদি করে পারাপার হচ্ছেন যাত্রীরা। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ঘাট এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ ছাড়া চোখে পড়েনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্যকে।
এদিকে নদী পারের অপেক্ষায় দৌলতদিয়া প্রান্তের সড়কে আটকা পড়েছে কয়েক শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক।
ঘরমুখো যাত্রীরা জানান, ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণায় রাজধানী ছেড়ে বাড়িতে ফিরছে হাজারো মানুষ। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে তারা ভেঙে ভেঙে ঝুঁকি নিয়ে দৌলতদিয়া ঘাটে এসেছেন। কিন্তু দৌলতদিয়া প্রান্তে এসেও গণপরিবহন না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন তারা। বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ছোট যানবাহন মাহেন্দ্রা, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন উপায়ে গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন।
তারা বলেন, বাধ্য হয়ে পরিবার নিয়ে বাড়িতে ফিরছেন তারা। এ লকডাউনে তাদের মতো খেটে খাওয়া মানুষ সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত। তাই সরকারকে তাদের নিয়েও ভাবা উচিত।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক ফিরোজ খান জানান, বর্তমানে এ রুটে ১৫টি ফেরি চলছে। ফেরিতে গণপরিবহন পারাপার বন্ধ থাকলেও পারাপার হচ্ছে পণ্যবাহী ট্রাক, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, অ্যাম্বুলেন্স, মোটরসাইকেল ও যাত্রী।
রুবেলুর রহমান/এফএ/জিকেএস