ক্যাম্পাস

আমেরিকান জার্নাল কেমিক্যাল রিভিউতে জবি শিক্ষকের প্রকাশনা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জগদীশ চন্দ্র সরকারের আর্টিকেল আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটি (এসিএস) এর সর্বোচ্চ ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর জার্নাল ‘কেমিক্যাল রিভিউ’-এ প্রকাশিত হয়েছে।

Advertisement

গত ১৩ এপ্রিল জগদীশ চন্দ্র সরকার এবং কিংস কলেজ লন্ডন-এর রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক গ্রায়েম হোগাথʼ এর যৌথ উদ্যোগে আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটি (এসিএস)-এ ‘Dithiocarbamate Complexs as Single Source Precursors to Nanoscale Binary, Ternary and Quaternary Metal Sulfide’ মলিক্যুলার ও ম্যাটেরিয়ালস রসায়নের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে যেখানে ডাইথায়োকার্বামেট যৌথ থেকে মেটাল সালফাইড ন্যানোমেটেরিয়ালস তৈরি করা হয় এবং ডাইথায়োকার্বামেটই একমাত্র বিক্রিয়ক বিষয়ক আর্টিকেল প্রকাশিত হয়।

১৯২৪ সাল থেকে প্রকাশিত এসিএস তাদের সবচেয়ে জনপ্রিয়, সর্বাধিক উল্লেখ্যযোগ্য কেমিক্যাল রিভিউ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশের একমাত্র জগদীশ চন্দ্র সরকারের আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটি (এসিএস) কর্তৃক ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর (আইএফ ৫২.৭৫৮) জার্নাল কেমিক্যাল রিভিউস-এ আর্টিকেল প্রকাশ করে।

এছাড়াও ২০১৭ সালে জার্মানিতে ৬৭তম নোবেল লরিয়েট মিটিংয়ে বাংলাদেশর এই তরুণ বিজ্ঞানী ৩০ জন নোবেল বিজয়ীর সঙ্গে একসপ্তাহ মতবিনিময় করেন। মূলত নোবেক লরিয়েট মিটিং থেকেই এই তরুণ বিজ্ঞানীর গবেষণায় অনুপ্রেরণা পান।

Advertisement

জগদীশ চন্দ্র সরকার বলেন, ‘আমি খুবই আনন্দিত যে প্রথম বাংলাদেশি রসায়নবিদ হিসেবে এতো উচ্চ ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টরের জার্নালে আমার আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে। আমি যখন জার্মানিতে অনুষ্ঠিতব্য ৬৭তম নোবেল লরিয়েট মিটিং-এ যায় তখন ৩০ জন নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীর সাথে এক সপ্তাহের জন্য নিবিড়ভাবে মতবিনিময়ের পর আমার মধ্যে গবেষণা নিয়ে আরেও উচ্চ উৎসাহ জাগে। তবে এত দ্রুত সফলতা আসবে ভাবিনি কখনো।’

তরুণ গবেষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘এই বিষয়ে গবেষণা করতে তেমন খরচ লাগবে না। তাই তরুণ গবেষকরা এবং যাদের গবেষণায় পর্যাপ্ত অর্থ নেই, তারা চাইলে এ বিষয়ে কম খরচে বিশ্বমানের গবেষণা করতে পারে।’

এদিকে, জগদীশ চন্দ্রের সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন, ‘আমেরিকান কেমিক্যাল সোসাইটি তার আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে, এতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় গর্বিত। প্রকাশিত আর্টিকেল এর মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও বৃদ্ধি পাবে।’

রায়হান আহমেদ/এএএইচ/জেআইএম

Advertisement