দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় আজও ঘুরমুখো মানুষ ও ছোট গাড়ির চাপ রয়েছে। সেইসঙ্গে ঢাকমুখী ছোট গাড়ির চাপও রয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে এমন চিত্র দেখা যায়। এ সময় ফেরিতে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি যাত্রীদের। গা ঘেঁষাঘেঁষি করে ফেরিতে ওঠানামা করছেন যাত্রীরা। আবার অনেকের মুখে দেখা যায়নি মাস্কও।
তবে জেলার অভ্যন্তরে গণপরিবহন চলাচল শুরু হওয়ায় যাত্রীদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
দৌলতদিয়া ঘাট থেকে মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মাহেন্দ্রা ও মোটরসাইকেলে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। এ সময় মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।
যাত্রী মনোয়ার হোসেন জানান, তিনি ঢাকার মিরপুরে ভ্রাম্যমাণ ভ্যারাইটিজ ব্যবসা করতেন। কিন্তু লকডাউনে ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এখন উপায় না পেয়ে বাড়িতে ফিরছেন।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক ফিরোজ খান জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে দিনে ৬টি ইউটিলিটি (ছোট) ফেরি এবং রাতে ছোট বড় ১৫টি ফেরি চলাচল করে। ৬টি ফেরি অনেক সময় পর পর চলাচল করায় যাত্রী ও যানবাহনের কিছুটা চাপ দেখা যায়। স্বাভাবিক সময়ে এটা কোনো চাপ না।
রুবেলুর রহমান/এফএ/এমকেএইচ