দেশজুড়ে

কাজীরহাট ঘাট দিয়ে মানুষ আসছে পিঁপড়ের সারির মতো

পাবনার বেড়া উপজেলার কাজীরহাট ফেরিঘাটে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকলেও শনিবার (৮ মে) দুপুরে আরিচা-কাজীরহাট রুটে ফেরি ছাড়লেও বিষয়টি অস্বীকার করেছে বিআইডব্লিউটিএ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা নিয়েও ফেরিতে গাদাগাদি করে ঢাকাফেরত মানুষকে বাড়ি ফিরতে দেখা গেছে। কাজীরহাট ফেরিঘাটে নেমে মহাসড়কে আসার পর অনেকেই কোনো যানবাহন পাননি। কাঁধে-পিঠে বোঝা নিয়ে পিঁপড়ের সারির মতো হেঁটে আসতে দেখা গেছে। শারীরিক দূরত্ব বজায় না রেখে ফেরি থেকে একজনের ওপর দিয়ে আরেকজনকে লাফিয়ে নামতে দেখা গেছে।

বেশকিছু যাত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা ফেরি থেকে নামার পর কাশীনাথপুর মোড়ে আসার যানবাহন পাননি। এজন্য অনেকে ঘাট থেকে নেমে ১২ কিলোমিটার পথ হেঁটে এখানে পৌঁছান।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) আরিচার উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবদুল আওয়াল জানান, ফেরি বা লঞ্চ চলাচলের বিষয় বিআইডব্লিউটিসি দেখভাল করে।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা ঘাট ম্যানেজার বলেন, স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত মোতাবেক শনিবার রাতে ফেরিতে শুধু মালবাহী পণ্য আসা-যাওয়া করবে। তবে এতো যাত্রী ফেরিতে আসার বিষয়টি তিনি জানেন না বলে জানান।

এদিকে আমিনপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রওশন আলী জানান, আরিচা-কাজীরহাট ঘাট এলাকা থেকে কোনো ট্রলার বা স্পিডবোট ছেড়ে যায়নি। ঘাট এলাকায় পুলিশি প্রহরা জোরদার রয়েছে।

আমিন ইসলাম/আরএইচ/এমকেএইচ