লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরে ভারতের ট্রিপল ভ্যারিয়েন্ট করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রোববার (৯ মে) বন্দরে বিশেষ সর্তকতা জারি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন নির্মলেন্দু রায়।
তিনি বলেন, ভারতীয় নতুন ভাইরাস যাতে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য স্থলবন্দর এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ভারত থেকে আসা প্রত্যেক চালক-হেলপারের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে বাংলাদেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়া হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে আটকা পড়া ৬৭ বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন। এদের বুড়িমারীতে বিশেষ ব্যবস্থায় তিনটি আবাসিক হোটেলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।
বুড়িমারী ইমিগ্রেশনের ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন বলেন, স্থলবন্দর দিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় পণ্যবাহী যান চলাচল চালু রয়েছে। প্রতিদিন ভারত থেকে দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক প্রবেশে করে এ বন্দর দিয়ে। পণ্য খালাস না হওয়া পর্যন্ত তারা বাংলাদেশে থাকছেন। এদের দ্বারা করোনাভাইরাসের ভারতের ভয়াবহ ট্রিপল ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বুড়িমারী স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বাবুল জানান, বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রতিদিন প্রায় দুইশত পণ্যবাহী যানবাহন প্রবেশ করছে। প্রতিটি ট্রাকে একজন করে প্রায় দুই শতাধিক মানুষ ভারত-বাংলাদেশ যাওয়া আসা করছে। এসব ভারতীয় চালক-হেলপারদের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। বুড়িমারী ইমিগ্রেশন পুলিশের ওসি আনোয়ার হোসেন জানান, ভারতীয় চালকদের বেপরোয়া চলাফেরায় আমরা আতঙ্কিত। এ কারণে স্বাস্থ্য বিভাগের নির্দেশনায় সর্তকতা জারি করা হয়েছে।
রবিউল হাসান/আরএইচ/এমকেএইচ