প্রচণ্ড গরমে ফরিদপুরে কদর বেড়েছে তালশাঁসের। গরমে শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়ক ভূমিকা রাখে এ ফল। সহজলভ্য ও মুখরোচক হওয়ায় এ সময় বিভিন্ন বয়সী মানুষের পছন্দের তালিকায় থাকে তালশাঁস।
তালের নরম কচি শাঁস খেতে সুস্বাদু হওয়ায় বর্তমানে এর চাহিদা বেড়েছে।
তাল বিক্রেতা মহিদ মাতুব্বর বলেন, সবার কাছেই এখন প্রিয় তালের শাঁস। আবার মৌসুমি ফল বলে শখের বশেই অনেকে এটি খায়। দামেও বেশ সস্তা। তাই বাজারে কদরও বেশি।
ফরিদপুর শহরে তালের শাঁস বিক্রেতা রইচউদ্দিন জানান, তিনি প্রতি বছরই এ সময় তালের শাঁস বিক্রি করে সংসার চালান। গ্রামে গ্রামে ঘুরে তিনি তাল ক্রয় করে গাছ থেকে পেড়ে এনে শাঁস বিক্রি করেন। বৈশাখ মাস থেকে জ্যৈষ্ঠের অর্ধেক পর্যন্ত চলবে তালের শাঁস বিক্রি।
আরেক বিক্রেতা করিম মোল্যা বলেন, প্রচণ্ড গরম থাকায় তালশাঁসের চাহিদা রয়েছে বেশি। প্রতিটি তালের শাঁসের পিস বিক্রি হচ্ছে ১০-১৫ টাকায়। প্রতিদিন প্রায় ১০০-৩০০ শাঁস বিক্রি হয়। এতে তার লাভ হয় ৪০০-৬০০ টাকা।
ক্রেতা আশিক মিয়া বলেন, তালের শাঁস একটি সুস্বাদু ফল। এ গরমে বাইর থেকে বাসায় এসে তালের শাঁস খেতে ভালোই লাগে।
এসএমএম/এএসএম