ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে পটুয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলায় ২০৩ গ্রামটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জোয়ারের পানিতে জেলার অন্তত ৫০ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাছের ঘের-পুকুর থেকে ভেসে গেছে প্রায় ৪৯ কোটি টাকার মাছ।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইয়াসের প্রভাবে নদীর পানি বিপদ সীমার ৬৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় পটুয়াখালীর উপকূল দফায় দফায় প্লাবিত হয়েছে। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেড়িবাঁধ, রাস্তাঘাট, মাছের ঘের, ফসলি জমি, ঘরবাড়ি, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান, গবাদিপশু। জোয়ারের পানিতে জেলার সব কটি উপজেলার ২০৩ টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা এমদাদুল্ল্যাহ বলেন, জোয়ারের পানিতে জেলার ৫৯০টি মাছের ঘের, দুই হাজার ৬৩২টি পুকুর পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে ৪৮ কোটি ৯১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হালিম সালেহী বলেন, পানির অনেক চাপ থাকার কারণে পটুয়াখালী ও কলাপাড়ার বিভিন্ন পয়েন্টে ৫০ কিলোমিটার বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, স্বাভাবিকের চেয়ে ৭-৮ ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বেড়িবাঁধ, পুকুর, ঘেরের মাছ ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা রনজিৎ দেবনাথ বলেন, প্রাথমিকভাবে কলাপাড়া উপজেলায় ৭৬টি, রাঙ্গাঁবালীতে ৩৮টি, বাউফলে ২০টি, ধুমকিতে ১৫ টি, মির্জাগঞ্জে ২৫টি, গলাচিপায় ১৭টি ও দশমিনায় ১২টি গ্রাম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
আরএইচ/এমএস