দেশজুড়ে

প্রেমের বিয়ের ৫ মাসের মাথায় লাশ হলো কিশোরী

ফরিদপুরের নগরকান্দায় প্রেম করে বিয়ে করার পাঁচ মাসের মাথায় লাশ হয়েছে মীম আক্তার (১৭) নামের এক কিশোরী। শ্বশুরবাড়ির লোকদের দাবি, সে আত্মহত্যা করেছে। তবে মেয়ের বাবা বলছেন, তাকে খুন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) সকালে উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের গোয়াইলপোতা গ্রামের স্বামীর বাড়ি থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।

মীম ওই ইউনিয়নের শংকরপাশা গ্রামের আব্দুর রব হাওলাদারের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাঁচ মাস আগে গোয়াইলপোতা গ্রামের রশিদ মৃধার ছেলে বাবু মৃধার সঙ্গে মীমের বিয়ে হয়। বাবু মৃধা ও মীম কৃপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে একই সঙ্গে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। একসঙ্গে স্কুলে আসা-যাওয়ায় তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরে বিয়ের বয়স না হলেও দুই পরিবারের সম্মতিতে তাদের বিয়ে হয়।

বাবু মৃধার ভাবি ইভা বেগম বলেন, ‘বুধবার (২৬ মে) রাতে আমরা যার যার ঘরে ঘুমিয়ে পড়ি। ফজরের আজানের পর আমি ঘুম থেকে উঠে বের হয়ে দরজার সামনে ছোট আমগাছে মীমকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখি। আমি চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা এসে ওকে মাটিতে নামায়। তখন ও জীবিত ছিল। আমরা তেলপানি মাথায় দিয়ে ডাক্তারের কাছে নেয়ার প্রস্তুতি নেই। এরই মধ্যে মীম মারা যায়।’

তবে মীমের বাবা রব হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, ‘আমি গরিব মানুষ। এলাকার মুরুব্বিদের পরামর্শে এ বিয়েতে রাজি হয়েছিলাম। আমার মেয়েকে ওরা খুন করে ফেলেছে।’

বাবু মৃধা পলাতক থাকায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

নগরকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম রেজা বিপ্লব বলেন, অভিযোগ পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এসআর/জেআইএম