জাতীয়

হাসপাতালে পুলিশি পাহারায় মেহজাবিনের স্বামী

রাজধানীর কদমতলীতে মা, বাবা ও বোনকে হত্যার ঘটনায় আটক মেহজাবিন ইসলাম মুন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলায় মেহজাবিন গ্রেফতার হলেও তার স্বামী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশি পাহারায় রয়েছেন।

Advertisement

রোববার (২০ জুন) জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জামাল উদ্দিন মীর।

তিনি বলেন, গতকাল (শনিবার) একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের সময় মেহজাবিন ইসলাম মুনকে আটক করা হয়। তাকে আটকের পর মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। তার স্বামী শফিকুল ইসলাম ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। তাকে পুলিশি পাহারায় রাখা হয়েছে। সুস্থ হওয়ার পর গ্রেফতার দেখানো হবে। মেহজাবিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তার স্বামী শফিকুল ইসলামকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

এদিকে, নিহত মাসুদ রানার বড় ভাই ও গ্রেফতার হওয়া মেহজাবিন ইসলাম মুনের বড় চাচা সাখাওয়াত হোসেন বাদী হয়ে মেহজাবিন ইসলাম মুন ও তার স্বামী শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। সে মামলায় মেহজাবিন ইসলাম মুনের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

Advertisement

গতকাল পুলিশ জানায়, পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন মেহজাবিন মুন। মা-বাবাসহ ছোট বোনকে হত্যা করে ৯৯৯-এ ফোন দেন মুন নিজেই। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে কদমতলীর মুরাদপুর হাজী লাল মিয়া সরকার রোড এলাকা থেকে স্বামী, স্ত্রী ও মেয়ের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করে। আটক মেহজাবিন থাকেন আলাদা বাসায়। মায়ের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন তিনি।

কদমতলী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ জাগো নিউজকে গতকাল জানান, ‘নিহতের বড় মেয়ে মেহজাবিন সকালে ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে বলেন, ‘মা-বাবা ও ছোট বোনকে হত্যা করেছি। আপনারা আসেন। এসে আমাকে ধরে নিয়ে যান।’

সূত্রে জানা যায়, গত দুদিন আগে স্বামী ও সন্তানকে নিয়ে মায়ের বাড়িতে বেড়াতে আসেন মেহজাবিন। এসেই তার ছোট বোন জান্নাতুলের সঙ্গে তার স্বামীর পরকীয়া রয়েছে বলে বাবা-মাকে অভিযোগ করেন। এ নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। তার জেরেই হয়তো তিনি এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন।

টিটি/এমএইচআর/এমকেএইচ

Advertisement