খেলাধুলা

মিঠুন-রকিবুল ঝড়ে প্রাইম ব্যাংকের বড় পুঁজি

এক নম্বর ওপেনার তামিম ইকবাল নেই। হাঁটুর ইনজুরিতে সুপার লিগ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন প্রাইম ব্যাংকের সবচেয়ে নামী ও দামি তারকা। তামিমের অনুপস্থিতিতে রনি তালুকদারের সাথে ওপেন করতে নামলেন রুবেল মিয়া। এ তরুণ সাধ্যমত চেষ্টা করে ২৩ বলে তুলে নিয়েছেন ২১ রান।

Advertisement

নিয়মিত ওপেনার রনি তালুকদারও (৮ বলে ১১) সুবিধা করতে পারেননি। আর অধিনায়ক এনামুল হক বিজয় (২৮ বলে ২৭) অনেক মেরেও স্ট্রাইকরেট ৯৬.৪২ এর ওপরে তুলতে পারেননি। তাই পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে এক উইকেটে ৪৬ রান উঠলো প্রাইম ব্যাংকের।

আর ১০ ওভার শেষে বিজয় বাহিনীর স্কোর ৭৪ (২ উইকেটে)। ১৫ ওভার শেষেও (১০৪/৩) ওভার পিছু রান তোলার গতি বেশি ছিল না। কিন্তু শেষ ৫ ওভারে ভোজবাজির মত পাল্টে গেল দৃশ্যপট।

দারুণ হাত খুলে খেললেন প্রাইম ব্যাংকের দুই মিডল অর্ডার মোহাম্মদ মিঠুন আর রকিবুল হাসান। এরা দুজন শেষ ৩০ বলে জুড়ে দিয়েছেন ঠিক ৬০ রান। তারওপর ভিত্তি করেই ২০ ওভার শেষে ১৬৪ রানের বড় পুঁজি প্রাইম ব্যাংকের।

Advertisement

রকিবুল ১৭৮.৯৪ স্ট্রাইকরেটে খেলেছেন ১৯ বলে ৩৪ রানের ঝড়ো ইনিংস। আর মিঠুন খেলেছেন ৪২ বলে ৬৭ রানের (স্ট্রাইকরেট ১৫৯ .৫২) আরেক আক্রমণাত্মক ইনিংস। শেখ জামাল পেসার ইবাদতের করা ইনিংসের শেষ ওভার থেকে ১৭ রান তুলেছেন প্রাইম ব্যাংকের উইলোবাজরা।

এরমধ্যে মিঠুন একাই জোড়া বাউন্ডারির সাথে মেরেছেন এক ছক্কা। রকিবুলও দারুণ কিছু শটস খেলেছেন। এরমধ্যে শেখ জামাল পেসার জিয়াউর রহমানের বদলে হাঁটুমুড়ে স্লগ সুইপে ডিপ মিডউইকেটের ওপর দিয়ে হাঁকানো বিশাল ছক্কার মারটি যেন পুরনো রকিবুলের কথাই মনে করিয়ে দিল।

এর আগে অধিনায়ক বিজয়ও ভালই খেলছিলেন। কিন্তু জিয়ার স্লোয়ার বুঝতে না পেরে আগেভাগে অনসাইডে ঘোরাতে গিয়ে বোকার মত রিটার্ন ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন প্রাইম ব্যাংক অধিনায়ক।

তার আগে অবশ্য ডিপ স্কোয়ার লেগে ক্যাচ তুলে দিয়েও বেঁচে গিয়েছিলেন। ইবাদত সীমানার কাছে দাঁড়িয়ে লোপ্পা ক্যাচটি ধরেও ফেলে দেন। তারপরও আর ইনিংসকে বড় করতে পারেননি বিজয়।

Advertisement

কাজের কাজ যা করার তা করেছেন মিঠুন আর রকিবুল। পেসার জিয়া ও সালাউদ্দিন শাকিল এবং বাঁ-হাতি স্পিনার সোহরাওয়ার্দী শুভকে বেদম প্রহার করে স্কোরকে ১৬০-এর ঘরে নিয়ে যান মিঠুন আর রকিবুল।

আরআই/আইএইচএস/জেআইএম