শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে চলাচল করায় পাঁচ লঞ্চ চালককে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া লঞ্চঘাটে লৌহজং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ জরিমানা করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- লঞ্চ ‘শাওন এক্সঃ-২’র চালক মিজানুর রহমান, ‘ডালিম-২’র চালক সৈয়দ আদর আলী, ‘এমভি নাফি খান’র চালক মো. হাবিল খান, ‘এম এল আমজাদ-১’র চালক মো. কায়জুল হক এবং ‘এম এল তুলি অ্যান্ড দোলা’র চালক মো. মঞ্জিল।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাউসার হামিদ জাগো নিউজকে জানান, অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে মাদারীপুরের বাংলাবাজার ঘাট থেকে শিমুলিয়া ঘাটে এলে নৌপুলিশ পাঁচটি লঞ্চকে আটক করে আমাদের অবহিত করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় পাঁচ লঞ্চ চালককে এক হাজার টাকা করে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তারা জরিমানার অর্থ প্রদান করলে পরবর্তীতে অতিরিক্ত যাত্রী ধারণ না করার নির্দেশনা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।
এদিকে দেশব্যাপী বিধিনিষেধ শিথিলের প্রথমদিন বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে দক্ষিণ বঙ্গগামী ঘরমুখো মানুষ ও যানবাহনের চাপ দেখা গেছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোট-বড় যানবাহনে যাত্রীরা ঘাটে আসছেন। বাড়তি যানবাহনের চাপ পড়ায় ফেরিতে যানবাহন পারাপারে বেগ পেতে হচ্ছে। এতে ঘাটে পণ্যবাহী ট্রাক, ব্যক্তিগত ও গণপরিবহনে আসা যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে দীর্ঘক্ষণ।
ঘাট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, এ নৌরুটে যানবাহন ও যাত্রী পারাপারে বর্তমানে ১০টি ফেরি ও ৭৮টি লঞ্চ সচল রয়েছে।
আরাফাত রায়হান সাকিব/এসআর/জেআইএম