দেশজুড়ে

বগুড়ায় আ.লীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বগুড়া সদর উপজেলার ফাঁপোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মমিনুর ইসলাম রকিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বগুড়া শহরতলীর ফাঁপোড় ইউনিয়নের ফাঁপোড় হাটখোলায় তাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। মমিনুল হক রকি ফাঁপোড় মন্ডলপাড়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে এবং তিনি ফাঁপোর ইউনিয়নের আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ছিলেন।

Advertisement

বগুড়া জেলা পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র ও সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয়রা জানান, নিহত রকি মসজিদে এশার নামাজ শেষে বাইরে ঘোরা‌ফেরা ক‌রে বা‌ড়ি ফিরছিলেন। এসময় মসজিদের পেছনে হাটখোলা এলাকায় পৌঁছালে ১৫ থেকে ২০ জন দুর্বৃত্ত রকিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথাসহ পুরো শরীরে কুপিয়ে জখম করে। তখন স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে অটো রিকশায় প্রথমে তিনমাথায় ও পরে সিএনজিতে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত রকিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া স্থানীয় যুবক আসিফ রহমান বলেন, ‌‘আমরা এলাকায় বসেছিলাম। ওই সময় শুনি রকি ভাইকে কয়েকজন মিলে কুপিয়েছে। পরে তাকে উদ্ধার করে মেডিকেলে আনলে ডাক্তার বলেন তিনি মারা গেছেন।’

Advertisement

নিহতের খালাতো ভাই শাহাদত হোসেন সনি বলেন, ‘এলাকার মাদকাসক্ত ও বখাটে ছেলেরা আমার ভাইকে মেরেছে। আমার ভাই তাদের খারাপ কাজে বাঁধা দিতো। এ নিয়ে শত্রুতার কারণে তারা আমার ভাইকে খুন করেছে।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফয়সাল মাহমুদ বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছি কিছু বখাটে যুবকের হাতে সে খুন হয়েছে। প্রাথমিকভাবে খুনীদের চিহ্নিতে করে তাদের ধরতে অভিযান চলছে।’

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান শফিক, সাধারণ সম্পাদক মাহাফুজুল আলম রাজ, জেলা আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আল রাজী জুয়েল রকির স্বজনদের সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতলে যান। এ সময় আবু সুফিয়ান বলেন, ‘আমরা আমাদের সংগঠনের নেতা হত্যার বিচার চাই।’

জেলা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, নিহত রকি অস্ত্রসহ একাধিক মামলার আসামি।

Advertisement

ইএ