নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানা পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে মো. জুয়েল (২৪) ও মো. দেলোয়ার হোসেন (২৮) নামের ধর্ষণ মামলার দুই আসামির পালিয়ে গেছেন।
বুধবার (১৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া এলাকায় হাইওয়ে রোডের পাশে আল মদিনা হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টে এ ঘটনা ঘটে।
নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
পুলিশ জানায়, আদালতের নির্দেশে বুধবার ধর্ষণ মামলার আসামি ও ভিকটিমকে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য ঢাকার মালিবাগ সিআইডিতে নিয়ে যায় সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ। ফেরার পথে গজারিয়ার হাইওয়ে এলাকায় আল মদিনা হোটেলে তারা দুপুরের খাবার খেতে নামেন। এসময় আসামিরা টয়লেটে যাবেন বলে পুলিশকে জানান। পরে পুলিশ পাহারায় তারা টয়লেটে ঢোকেন। এরই ফাঁকে আসামিরা একই কায়দায় দুটি টয়লেটের জানালা ভেঙে পালিয়ে যান।
পলাতক আসামিরা হলেন- সোনাইমুড়ী থানার বাট্টা গ্রামের মুজামিয়া ব্যাপারী বাড়ির মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে মো. জুয়েল (২৪) এবং একই থানার বগাদিয়া গ্রামের সওদাগর বাড়ির মৃত মো. আবদুল লতিফের ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন (২৮)।
এ বিষয়ে এসপি শহীদুল ইসলাম জানান, পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে। পাশাপাশি আসামির দায়িত্বে থাকা সোনাইমুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জিসান আহম্মেদ, উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন শাহ, পিএসআই মিজানুর রহমান, কনস্টেবল আব্দুল কুদ্দুস ও নারী কনস্টেবল আসমা আক্তারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
ইকবাল হোসেন মজনু/এসআর/এএসএম