খেলাধুলা

ইংল্যান্ডের ‘কমেডি’ জুটিকে ধুয়ে দিলেন লয়েড

ম্যাচ বাঁচাতে মাত্র ৬০ ওভার খেললেই হয়ে যেত স্বাগতিক ইংল্যান্ড। আধুনিক টেস্ট ক্রিকেটের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে ৬০ ওভারে ২৭২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে চাওয়ায় কোনো অযৌক্তিক চিন্তা হতো না তাদের জন্য। কিন্তু এর কোনোটিই পারেনি ইংল্যান্ড। মাত্র ৫১.৫ ওভারেই অলআউট হয়ে ম্যাচ হেরেছে ১৫১ রানের বড় ব্যবধানে।

সেই ইনিংসটিতে প্রথম ওভারেই সাজঘরে ফিরে যান ররি বার্নস। পরের ওভারে একই পথ ধরেন আরেক ওপেনার ডম সিবলি। এর মাধ্যমে নিজের টেস্ট ইতিহাসে ঘরের মাঠে প্রথমবারের মতো দুই ওপেনারের শূন্য রানে আউট হওয়া দেখে ইংল্যান্ড। এরপর আর ম্যাচও বাঁচাতে পারেনি তারা।

বার্নস ও সিবলি শুধু এই এক ইনিংসেই ব্যর্থ নন, সিরিজের চার ইনিংস ধরেই তাদের ব্যাটে রান নেই। চার ইনিংসে বার্নসের রান ০, ১৮, ৪৯ ও ০। সিবলির রান ১৮, ২৮, ১১ ও ০। ওপেনারদের ব্যর্থতার মাশুল ভালোভাবেই দিতে হচ্ছে ইংল্যান্ডকে। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দুই ম্যাচ শেষে ০-১ ব্যবধানে পিছিয়ে গেছে তারা।

এ উদ্বোধনী জুটিকে ‘কমেডি’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন জনপ্রিয় ধারাভাষ্যকার, সাবেক ক্রিকেটার, কোচ ও আম্পায়ার ডেভিড লয়েড। দীর্ঘ ৫৭ বছর ধরে ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন তিনি। কিন্তু এর আগে কখনও এমন হাস্যকর জুটির দেখা পাননি লয়েড। শুধু পারফরম্যান্স নয়, বার্নস-সিবলি ব্যাটিং স্টান্স নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন লয়েড।

ইংরেজি সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলকে তিনি বলেছেন, ‘(ওপেনারদের ব্যর্থতার কারণে) এটা ভাঙা রেকর্ডের মতো বেজেই যাচ্ছে যে, প্রতিবারই বাজে অবস্থা থেকে দলকে টেনে তুলতে হচ্ছে জো রুটকে। ররি বার্নস ও ডম সিবলি যেভাবে দাঁড়ায় (স্টান্সে), এমন কোনো উদ্বোধনী জুটি আমি ৫৭ বছরে দেখিনি। কখনও নয়! এটা কমেডি ক্রিকেট এবং এটাই সবচেয়ে বড় সমস্যা।’

এ দুই ওপেনারের ব্যাটিংয়ের ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলে লয়েড বলেন, ‘ভারতের উদ্বোধনী জুটির দিকে তাকান। রোহিত শর্মা ও লোকেশ রাহুল সঠিকভাবে দাঁড়ায় (স্টান্সে) এবং তারা ইংল্যান্ডের সর্বকালের সফলতম বোলার জেমস অ্যান্ডারসনের বিপক্ষে খেলে ডিফেন্স ও রান করার পথ বের করে ফেলে। আমাদের প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের তো মনে হয় রান করার ইচ্ছাই নেই- তারা যেন স্রেফ ব্লকাথন (ব্লকের পর ব্লক) করতে নামে।’

এসএএস/জিকেএস