দেশজুড়ে

নোয়াখালীতে অস্ত্র প্রদর্শনকারী সেই যুবকসহ গ্রেফতার ৪

নোয়াখালীতে জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে তিন গ্রুপের পাল্টাপাল্টি কর্মসূচিতে প্রকাশ্যে অস্ত্র উঁচিয়ে গুলি করা যুবক রাফেজসহ (২৫) চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হচ্ছেন-সুধারামের উত্তর কাদির হানিফ গ্রামের মৃত মিজানুর মুহুরী ওরফে কামালের ছেলে মো. রাফেজ (২৫), পশ্চিম শুল্যকিয়া গ্রামের আবদুল খালেকের ছেলে মো. ইউনুছ (৪০), কাশিপুর গ্রামের মৃত নূর মোহাম্মদের ছেলে নুরুল আমিন (৩৯) ও বেগমগঞ্জের পৌর হাজিপুর গ্রামের মৃত শাহজাহান সাজুর ছেলে মো. আবুল হায়াত রায়হান ওরফে খালাশী রায়হান (২৬)।

বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।

নোয়াখালী পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) এমপি একরামুল করিম চৌধুরী, মেয়র শহীদুল্যাহ খান সোহেল ও অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীনের কর্মীদের ত্রিমুখী ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ ৯ রাউন্ড গুলি ছুড়ে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ওইদিন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীনের কর্মী প্রকাশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে অস্ত্র প্রদর্শন করেন। এ-সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

পরে পুলিশ ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি সংগ্রহ করে অস্ত্র প্রদর্শনকারী ব্যক্তি সুধারাম থানার উত্তর কাদির হানিফ গ্রামের মৃত মিজানুর মুহুরী ওরফে কামালের ছেলে মো. রাফেজ বলে শনাক্ত করে তাকেসহ অন্যদের গ্রেফতার করা হয়। মো. রাফেজের বিরুদ্ধে মারামারি ও চাঁদাবাজি সংক্রান্ত আগে আরও ছয়টি মামলা রয়েছে।

এদিকে অস্ত্র প্রদর্শনের দায়ে গ্রেফতাররা নিজের কর্মী নয় দাবি করে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীন জাগো নিউজকে বলেন, অতীত থেকে পুরো জেলাব্যাপী সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর কর্মীদের হাতে অস্ত্র দেখা গেছে। এখন আমাকে ফাঁসানোর জন্য অসত্য তথ্য দেয়া হচ্ছে।

এ বিষয়ে ফোন করেও নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইকবাল হোসেন মজনু/এসআর/জেআইএম