ক্যাম্পাস

শাবিপ্রবির বাংলা বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি জাহাঙ্গীর আলমের

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) বাংলা বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে তিনিই প্রথম নিজ বিভাগ থেকে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করলেন।

Advertisement

বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আশ্রাফুল করিমের তত্ত্বাবধানে বাংলা নাট্য গবেষণায় সেলিম আল দীনের নাটকে দলিত শ্রেণির ওপর গবেষণাকর্ম সম্পন্ন করেন মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২২তম সিন্ডিকেট সভায় তার পিএইচডি ডিগ্রি অনুমোদন দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

মো. জাহাঙ্গীর আলম জাগো নিউজকে জানান, সেলিম আল দীনের নাটকে দলিত শ্রেণি নিয়ে গবেষণা। তার নাটকগুলোতে ওই শ্রেণিকেন্দ্রিক চরিত্র নিয়ে নতুনভাবে চিন্তা করা হয়েছে। তার গবেষণায় বিষয়গুলো নতুনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। দলিত শ্রেণির মানুষের সামাজিক মর্যাদা ও সার্বিক উন্নয়নের বিষয়টি গবেষণার মাধ্যমে মূল্যায়নের চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এই বিভাগের শিক্ষার্থী হিসেবে, শিক্ষক হিসেবে গবেষণা সম্পন্ন করাটা খুবই আনন্দের। গবেষণায় যারা উৎসাহ, অনুপ্রেরণা ও বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন তাদের সাধুবাদ জানাই। আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই আমার গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ড. আশ্রাফুল করিম স্যারের প্রতি, যিনি তার মূল্যবান সময় ও পরামর্শ দিয়ে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন।’

Advertisement

গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মো. আশ্রাফুল করিম জাগো নিউজকে বলেন, ‘বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রথম পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করায় মো. জাহাঙ্গীর আলমকে আন্তরিক অভিনন্দন। রবীন্দ্র পরবর্তীকালের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার আচার্য সেলিম আল দীনের নাটকের একটি বিশেষ দিক (দলিত শ্রেণির রূপায়ণ) উন্মোচিত হয়েছে তার গবেষণায়। বিষয়টি মৌলিক ও অভিনব। ভবিষ্যতেও মো. জাহাঙ্গীর আলম বাংলা নাট্য গবেষণার ক্ষেত্রকে এ ধরনের মৌলিক গবেষণার মাধ্যমে আরও সমৃদ্ধ করবেন বলে প্রত্যাশা করি।’

জানা যায়, সহকারী অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম শাবিপ্রবির বাংলা বিভাগ থেকে ২০০৬-২০০৭ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ও ২০১০-২০১১ শিক্ষাবর্ষে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। দুই পরীক্ষাতেই প্রথম স্থান অর্জন করেন তিনি। পরবর্তীতে ২০১৩ সালে বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। আন্তর্জাতিক মানের জার্নালে তার প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধের সংখ্যা ১০টি।

মোয়াজ্জেম আফরান/ এফআরএম/জিকেএস

Advertisement