দেশজুড়ে

বরিশালে চড়া মাছের বাজার, দাম কমেছে আলুর

দুই সপ্তাহের ব্যবধানে বরিশালের বাজারে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ২০ টাকা। মাছের দাম বেড়েছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা। পেঁয়াজ স্থিতিশীল থাকলেও দাম বাড়ার আশঙ্কা করছেন খুচরা বিক্রেতারা। আলুর দাম কেজিতে ২ টাকা কমেছে।

Advertisement

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) নগরীর পোর্টরোডসহ বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে এমনটা জানা যায়।

বাজারে প্রতি কেজি বেগুন ৫০ টাকা, শসা ৫০ টাকা, গাজর ১২০ টাকা, ধনেপাতা ১০০ টাকা, ফুলকপি ১০০ টাকা, বাঁধাকপি ৬০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, পটল, কাঁকরোল, করলা, ঢেঁড়স, চিচিঙ্গা, মুলা, ঝিঙে ৪০-৫০ টাকা, পেঁপে ২০-২৫ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতারা বলছেন, বন্যায় ফসলের ক্ষতি ও পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় সবজির দাম বেড়ে গেছে। বর্ষা শেষে আবারও কমে আসবে।

Advertisement

সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে এক কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১২৫ টাকা। ৫ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সোনালি জাতের মুরগির দাম ২৬০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ২৭০ টাকা। ৫ টাকা বেড়ে লেয়ার বিক্রি হচ্ছে ২২৫ টাকায়।

বাজারে চালের দামে নতুন করে কোনো পরিবর্তন আসেনি। প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৫৬-৬০ টাকায়, নাজির শাইল ৬৫-৭০ টাকায়, ভালো মানের বিআর-২৮ চাল ৫০-৫৪ টাকায়, পাইজাম ৪৮-৫০ টাকায় এবং মোটা গুটি ও স্বর্ণা চাল ৪৪-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ভোজ্যতেলের উচ্চমূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে। এক লিটার খোলা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকায়। বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৪৯ টাকায়।

পেঁয়াজ, আদা, রসুন, মসুর ডাল, আটা-ময়দা ও চিনির দামে তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৪০-৪৫ টাকা, রসুন ১২০ টাকা, মসুর ডাল (বড় দানা) ৯০ টাকা, আদা (চায়না) ১২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে আলুর দাম কেজি প্রতি ২ টাকা কমেছে। ২০ টাকা থেকে কমে ১৮ টাকায় আলু বিক্রি হচ্ছে।

Advertisement

নগরীর পোর্টরোড বাজারের খুচরা মুদি দোকানি জায়াত স্টোরের মালিক হাবিবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, গত দুই সপ্তাহে নতুন করে নিত্যপণ্যের দাম বাড়েনি। তবে সামনে দুর্গাপূজা। এ কারণে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধির আভাস মিলেছে আড়তদারদের কাছ থেকে।

এদিকে, বাজারে মাছের দাম চড়া। রুই, কাতলা, চিংড়ি, শিং, মাগুরসহ বিভিন্ন মাছের দাম ৫০ থেকে ১০০ টাকা কেজিতে বেড়েছে।

বিক্রেতারা বলছেন, বন্যা ও নদীতে পানি বেশি থাকায় মাছ ধরা যাচ্ছে না। সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে।

বাজারে গরু ও খাসির মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫৮০-৬০০ ও খাসির মাংস ৭৫০-৮০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সাইফ আমীন/এসজে/জেআইএম