দেশজুড়ে

ফেনীতে সহিংসতার ঘটনায় দুই মামলা, আসামি ৪ শতাধিক

ফেনীতে শনিবার (১৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সহিংসতার ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। এতে অজ্ঞাতনামা চার শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। মন্দিরের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাতেই র‌্যাব সদস্যরা আহনাফ তৌসিফ মাহমুদ লাব্বি (২২) নামে এক তরুণকে গ্রেফতার করেছেন।

Advertisement

পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ফেনী মডেল থানায় দায়ের করা একটি মামলায় ২০০ থেকে ২৫০ জন এবং অন্য একটি মামলায় ১০০ থেকে ১৫০ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

এদিকে ওই ঘটনায় রোববার (১৭ অক্টোবর) সকালে ফেনী শহরের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনে যান জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান, পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী, ফেনী পৌরসভার মেয়র নজরুল ইসলাম স্বপন মিয়াজী।

পরিদর্শন শেষে জয়কালী মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জেলা প্রশাসক বলেন, বিভিন্ন মন্দির-মণ্ডপে হামলা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট ধর্মীয় বা রাজনৈতিক বিষয় নয়। এটি পরিকল্পিতভাবে দুর্বৃত্তরা ঘটিয়েছে।

Advertisement

কুমিল্লার ঘটনার জেরে একটি সমাবেশকে কেন্দ্র করে শনিবার বিকেল থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ফেনী শহরের কয়েকটি স্থানে দফায় দফায় সহিংসতা হয়। দুর্বৃত্তদের হামলায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রবিউল ইসলাম, ফেনী মডেল থানার ওসি নিজাম উদ্দিন, জেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন ডালিম, ইন্ডিপেনডেন্ট টিভির ক্যামেরাপারসন রিয়াদ মোল্লা, ইকবাল বাহার ফয়সাল, ফুলগাজী উপজেলা যুবলীগ নেতা আনিসুল হক সোহেলসহ অন্তত ৪০ জন আহত হন।

নুর উল্লাহ কায়সার/এমএইচআর