আইন-আদালত

মিতু হত্যা: আদালতে ভোলার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

চট্টগ্রামের চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যাকাণ্ডে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেফতার আসামি এহতেশামুল হক ওরফে ভোলা (৪১) আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠান।

Advertisement

শনিবার (২৩ অক্টোবর) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফী উদ্দিনের আদালত জবানবন্দি গ্রহণ করেন।

বিষয়টি জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটের সুপার (এসপি) নাইমা সুলতানা।

তিনি বলেন, গতকাল (শুক্রবার) গভীর রাতে ভোলাকে যশোর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ তাকে আদালতে পাঠানো হলে তিনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জবানবন্দি দিয়েছেন।

Advertisement

এর আগে গত ১৪ অক্টোবর উচ্চ আদালতের দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন জামিন শেষে আত্মসমর্পণ না করায় আসামি ভোলার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমানের আদালত।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলার প্রায় পাঁচ বছর পর গত ১২ মে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক সন্তোষ কুমার চাকমা এ প্রতিবেদন দাখিল করেন।

এদিকে বাবুল আক্তারের দায়ের করা মামলায় স্ত্রী হত্যাকাণ্ডে তারই সম্পৃক্ততা পায় পিবিআই। গত ১২ মে আগের মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার দিন বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন।

বাবুল আক্তার ছাড়াও ওই মামলার বাকি সাত আসামি হলেন- কামরুল ইসলাম সিকদার ওরফে মুসা (৪০), এহতেশামুল হক ওরফে ভোলা (৪১), মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম (২৭), আনোয়ার হোসেন (২৮), খায়রুল ইসলম ওরফে কালু (২৮), সাইদুল ইসলাম সিকদার (৪৫) ও শাহজাহান মিয়া (২৮)।

Advertisement

মিজানুর রহমান/কেএসআর/জেআইএম