পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হাসান শিকদারের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (১৫ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ১টায় শহরের ব্যায়ামাগার মোড়ে একটি চায়ের দোকানে বসা অবস্থায় হাসান শিকদার এ হামলার শিকার হন।
হামলাকারীরা তাকে পিটিয়ে ও মাথায় আঘাত করে গুরুতর জখম করেছেন। বর্তমানে তিনি পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
হামলার জন্য সাবেক সহ-সভাপতি জুনায়েদ মিজান ওরফে কেচি মিজানকে দায়ী করেছেন হাসান শিকদার।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, দুপুর পৌনে ১টায় ব্যায়ামাগার মোড়ে সাইফুলের দোকানে বসে কয়েকজনের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন হাসান শিকদার। এসময় আকস্মিক পাঁচ-ছয়টি মোটরসাইকেলযোগে এসে জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি জুনায়েদ মিজান ওরফে কেচি মিজানসহ ১০-১২ জন সশস্ত্র যুবক তার ওপর হামলা চালান। তারা লোহার পাইপ দিয়ে বেদম মারধর করেন ও মাথায় আঘাত করেন। এতে তার মাথা ফেটে যায়। আহত অবস্থায় তাকে পটুয়াখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতাকর্মী জানান, হাসান শিকদার ও কেচি মিজান উভয়ই জেলা ছাত্রলীগের একই কমিটির সভাপতি ও সহ-সভাপতি ছিলেন। তারা একই গ্রুপ করতেন। পরে ভাগবাটোয়া ও টেন্ডার নিয়ে তাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। ১০ মাস আগে তাদের কমিটি বিলুপ্ত করে দেওয়া হয়। আগের ক্ষোভ থেকেই এ হামলা চালানো হয়েছে।
এ বিষয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করেও অভিযুক্ত মিজানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে আহত অবস্থায় হাসানকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান। তিনি বলেন, পূর্ববিরোধের জেরে এ হামলা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আব্দুস সালাম আরিফ/এসআর/এমএস