ব্রাহ্মণবাড়িয়ার লইস্কা বিলের চম্পকনগর-আনন্দবাজার নৌরুটে ফের ঝুঁকি নিয়ে চলছে যাত্রীবাহী নৌকা। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন এ রুটে চলাচলকারীসহ স্থানীয়রা।
এর আগে চলতি বছরের ২৭ আগস্ট (শুক্রবার) সন্ধ্যায় ওই বিলে বালুবোঝাই বাল্কহেডের সঙ্গে যাত্রীবাহী নৌকার মুখোমুখি সংঘর্ষে ২৩ জনের মৃত্যু হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এ রুটে প্রতিদিন ১৪টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা চলাচল করে। চলাচলকারী কোনো নৌকার রুট পারমিট নেই। যদিও দুর্ঘটনার পর এ রুটে চলাচলকারী নৌকায় অতিরিক্ত যাত্রী-মালামাল বহনে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। প্রতি নৌকায় ১০-১২ জন যাত্রী নিতে বলা হলেও কেউ সে নিষেধাজ্ঞা মানছেন না।
অতিরিক্ত যাত্রী ও মালামাল বহনের বিষয়ে মাসুদ মিয়া নামের এক মাঝি বলেন, প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে চলার চেষ্টা করছি। কিন্তু এতো কম যাত্রী নিলে আমরা কীভাবে চলবো? তবে অনেকে অতিরিক্ত যাত্রী নিচ্ছেন বলে স্বীকার করেন তিনি।
নজরুল ইসলাম নামের এক যাত্রী বলেন, অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া অবশ্যই ঝুঁকিপূর্ণ। এসব বিষয়ে মাঝিদের জিজ্ঞেস করলে বলেন, আমাদের তো আর কিছু করার নেই। গন্তব্যে যেতে তো হবে।
এ বিষয়ে বিজয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইরফান উদ্দিন আহমেদ বলেন, দুর্ঘটনাটি আমি যোগদান করার আগে। পরে নৌকার মালিক ও সংশ্লিষ্টদের নিয়ে আলোচনা করেছি। প্রত্যেক নৌকায় ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী বহন করবে বলে সিদ্ধান্ত হয়।
আবুল হাসনাত মো. রাফি/আরএইচ/এএসএম