কালোবাজারে ওএমএসের চাল-আটা বিক্রির অভিযোগ উঠেছে নোয়াখালীর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম সামছুদ্দিন জেহানের ছোটভাই একেএম সালা উদ্দিন রানার বিরুদ্ধে।
বুধবার (৮ ডিসেম্বর) বিকেলে নোয়াখালী পৌরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ডে অভিযান চালিয়ে অনিয়ম করে বিক্রির সময় ১৭৯ বস্তা সরকারি চাল ও ১৮ বস্তা আটাসহ নগদ ৩২ হাজার ৩৯০ টাকা জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
উদ্ধার করা মালামাল ও টাকা ওএমএস ডিলার একেএম সালা উদ্দিন রানার বলে জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. হাফিজুল হক।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার বিকেলে উপজেলার উত্তর সোনাপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড এলাকায় এফএম থাই অ্যাণ্ড গ্লাস হাউজে অভিযান চালানো হয়। এসময় ওএমএস ডিলার একেএম সালা উদ্দিন রানার উত্তোলনকৃত নিম্ন আয়ের মানুষের চাল-আটা ওজনে কম ও অনিয়ম করে বস্তায় ভরে বিক্রির সময় ডিলারের প্রতিনিধি নিজাম উদ্দিনকে আটক করা হয়।
পরে উদ্ধার করা মালামাল ওই দোকানে সিলগালা করে ডিলারের এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। আটক নিজাম উদ্দিনকে সতর্ক করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
জানতে চাইলে অভিযুক্ত ডিলার একেএম সালা উদ্দিন রানা সন্ধ্যায় জাগো নিউজকে জানান, এ ব্যাপারে কিছুই জানি না। আমি ঢাকায় থাকায় বিষয়টি আমার আরেক ভাই সোহান দেখাশুনা করেন।
এ বিষয়ে জানতে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম সামছুদ্দিন জেহানকে বার বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করে ফোন কেটে দেন।
উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. ছালেহ উদ্দিন জানান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দকৃত মালামালের বিষয়ে পরে বিধি মোতাবেক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ইকবাল হোসেন মজনু/আরএইচ/এএসএম